মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বর্ধমান থেকে জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযুক্ত হামিম মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছে এসটিএফ। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ধৃতের কাছ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি, চলাফেরার তথ্য এবং ভিআইপি মুভমেন্ট সংক্রান্ত বেশ কিছু নথি উদ্ধার হয়েছে।
ঘটনার পর রাজ্যজুড়ে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে। এদিন বিষয়টি নিয়ে প্রথমবার প্রতিক্রিয়া জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।
কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?
শুক্রবার নবান্নে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধারের ঘটনা এবং টুলু মণ্ডলকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কেও জানান। পরে জঙ্গি গ্রেফতারের প্রসঙ্গে প্রশ্ন উঠলে তিনি বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় এই মুহূর্তে কোনও মন্তব্য করা সমীচীন হবে না।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি বিষয়। তাই আমি এখন কোনও মন্তব্য করতে চাই না। আগামীকাল এসটিএফ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেস বিবৃতি দেবে। ঘটনার সঙ্গে আন্তর্জাতিক যোগ এবং জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় জড়িত রয়েছে। সেই কারণে এই বিষয়ে এসটিএফ-ই বিস্তারিত জানাবে।"
কী জানা গিয়েছে?
গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বর্ধমানের রেনেসাঁ হাউসিং থেকে হামিম মণ্ডলকে গ্রেফতার করে এসটিএফ। গোয়েন্দাদের দাবি, হাওড়ার পিলখানার বাসিন্দা হামিম একটি গেঞ্জি তৈরির কারখানায় কাজ করত এবং প্রায় দু'মাস আগে বর্ধমানে যায়। তদন্তে উঠে এসেছে, সে পাকিস্তানে প্রশিক্ষণ নিয়েছিল এবং আইএসআইয়ের হ্যান্ডলারের ভূমিকা পালন করছিল। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল বলেও অভিযোগ। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, সাজ্জাদ ভাট গোষ্ঠীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলির যোগাযোগের সূত্রও মিলেছে।

