Dailyhunt
কালবৈশাখীর দাপট! আজ ঝড়-বৃষ্টিতে কাঁপবে কলকাতা-সহ একাধিক জেলা

কালবৈশাখীর দাপট! আজ ঝড়-বৃষ্টিতে কাঁপবে কলকাতা-সহ একাধিক জেলা

চৈত্রের শেষ প্রহরে আবহাওয়া যেন একেবারে বদলে ফেলেছে তার রূপ। একদিকে তীব্র গরম থেকে মিলছে খানিকটা স্বস্তি, অন্যদিকে সেই স্বস্তির সঙ্গেই বাড়ছে আশঙ্কা। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে, ৭ এপ্রিল অর্থাৎ আজ পশ্চিমবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির এক অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হতে চলেছে।

বঙ্গোপসাগর ঘিরে তৈরি হওয়া জলীয় বাষ্পের প্রভাবে রাজ্যের আকাশে ইতিমধ্যেই অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গে বিকেলের পর থেকেই কালো মেঘ জমে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রবল।

কলকাতা-সহ আশপাশের জেলাগুলিতে যেমন-হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে-হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার ছুঁতে পারে। শহর কলকাতায় দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমে এলেও আর্দ্রতা বাড়ায় অস্বস্তি বজায় থাকবে।

অন্যদিকে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলি যেমন -পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও ঝাড়গ্রামে-পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে। সেখানে ঝড়ের দাপট বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা স্থানীয়দের সতর্ক থাকার বার্তা দিচ্ছে।

উত্তরবঙ্গেও মিলছে একই চিত্র। দার্জিলিং ও কালিম্পং-এর পার্বত্য এলাকায় বৃষ্টির পাশাপাশি শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এতে পর্যটকদের ভ্রমণ পরিকল্পনায় প্রভাব পড়তে পারে। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারেও বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝোড়ো হাওয়ার দাপট থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।

উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদাতেও আবহাওয়া কিছুটা বদলাবে। তাপমাত্রা কমলেও বজ্রপাতের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে, যা বিকেলের দিকে ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা এড়িয়ে চলা, গাছের নিচে না দাঁড়ানো এবং বাড়ির ভেতরে নিরাপদ স্থানে থাকা জরুরি। বিদ্যুৎ চমকালে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

চৈত্রের শেষে বাংলার আবহাওয়া যেন এক দ্বৈত রূপে ধরা দিয়েছে-একদিকে স্বস্তির ছোঁয়া, অন্যদিকে প্রকৃতির রুদ্র রূপের আশঙ্কা। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Samay 365 Din