Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
মিড-ডে মিলের জলে মরা পাখি! ট্যাঙ্ক খুলতেই চাঞ্চল্য, ক্যানিংয়ের স্কুলে অভিভাবকদের বিক্ষোভ

মিড-ডে মিলের জলে মরা পাখি! ট্যাঙ্ক খুলতেই চাঞ্চল্য, ক্যানিংয়ের স্কুলে অভিভাবকদের বিক্ষোভ

স্কুলের ছাদে থাকা জলের ট্যাঙ্ক খুলতেই চোখ কপালে উঠল! জলের মধ্যে ভাসছে মরা পাখির দেহ। শুধু তাই নয়, দেহে ধরেছে পোকাও। অভিযোগ, দিনের পর দিন ওই ট্যাঙ্কের জলই ব্যবহার করা হচ্ছিল পড়ুয়াদের পানীয় জল হিসেবে। এমনকি সেই জল দিয়েই রান্না হচ্ছিল মিড-ডে মিল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার উত্তেজনা ছড়ায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ের গলাডহরা কুসুমমণি এফপি স্কুলে।

স্থানীয়দের দাবি, কয়েক দিন ধরেই ট্যাঙ্কের জল থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। এরপর সন্দেহ হওয়ায় ট্যাঙ্কের ঢাকনা খুলে দেখা যায়, জলের মধ্যে পড়ে রয়েছে একটি মরা পাখি। বিষয়টি জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিভাবক ও গ্রামবাসীরা। স্কুলের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি পড়ুয়ারাও মিড-ডে মিল খেতে অস্বীকার করে।

এক অভিভাবক, তারক হালদারের অভিযোগ, ''বেশ কয়েক দিন ধরে পাখিটি ট্যাঙ্কের মধ্যে পড়ে ছিল। অথচ কারও নজরে আসেনি। ওই জলই শিশুরা পান করেছে, এমনকি রান্নার কাজেও ব্যবহার করা হয়েছে। বিষয়টি জানার পর স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও প্রথমে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।''

অভিভাবকদের আরও দাবি, স্কুলে বর্তমানে শিক্ষক রয়েছেন তিন জন। তাঁদের মধ্যে এক জন প্যারাটিচার। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার কারণে প্রধানশিক্ষক গোবিন্দ মণ্ডল নিয়মিত স্কুলে আসতে পারেন না বলেও দাবি তাঁদের। তাঁর স্ত্রী কাকলি কবিরাজ মণ্ডল অস্থায়ী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত এবং স্কুলের দৈনন্দিন বিষয়গুলি দেখভাল করেন বলে জানিয়েছেন অভিভাবকেরা।

ঘটনার বিষয়ে প্রধানশিক্ষক এবং তাঁর স্ত্রী বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে কীভাবে এত দিন ট্যাঙ্কের মধ্যে মরা পাখি থাকার পরেও সেই জল ব্যবহার করা হল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

ঘটনার পর স্কুলের পানীয় জল এবং মিড-ডে মিলের জল ব্যবহারের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে দ্রুত ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করা এবং পানীয় জলের গুণমান পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকেরা।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Samay 365 Din