Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
Pay Commission এর আগেই আরও বড় খবর! বকেয়া DA মেটাতে নবান্নে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, এল বড় আপডেট

Pay Commission এর আগেই আরও বড় খবর! বকেয়া DA মেটাতে নবান্নে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, এল বড় আপডেট

কলকাতা: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ (DA) নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা জট কাটাতে এবার বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। গত ১লা জুন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের সূত্র ধরে বৃহস্পতিবার ফের নবান্নে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশানুসারে তাঁর উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত ও রাজ্য সরকারের অর্থ সচিবের সঙ্গে এই বৈঠকে বসেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের মুখ্য কনভেনার ভাস্কর ঘোষের নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দল।

প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন, সুবীর সাহা, নির্ঝর কুন্ডু, নিখিল চন্দ্র দাস, অভিজিৎ রায় এবং শুভ্রপ্রকাশ সোম।

পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন গ্র্যান্ট-ইন-এইড (Grant-in-Aid) প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মী এবং পেনশনভোগীরা দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের ন্যায্য বকেয়া মহার্ঘ ভাতা থেকে বঞ্চিত। রোপা-২০০৯ (ROPA-2009) বিধির আওতায় থাকা এই কর্মীদের এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত বকেয়া ডিএ পাওয়ার আইনি অধিকার রয়েছে। অর্থ দপ্তরের অডিট শাখা থেকে ইতিবাচক নির্দেশিকা জারি হলেও তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।

নবান্নের বৈঠকে সরকারি আধিকারিকরা জানান, মূলত কিছু 'টেকনিক্যাল সমস্যার' কারণেই এই বকেয়া মেটাতে দেরি হচ্ছে। তবে এই প্রযুক্তিগত জট দ্রুত কাটিয়ে ওঠার ব্যাপারে রাজ্য সরকারের দুই প্রধান আধিকারিক প্রতিনিধি দলকে আশ্বস্ত করেছেন।

সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের রাজ্য নেতৃত্ব নির্ঝর কুন্ডু জানান, পদ্ধতিগত ত্রুটির কারণে পাওনা আটকে রাখা যায় না বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জোরালো দাবি জানানো হয়। এরপরই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, আপাতত প্রাপ্য বকেয়ার ৫০ শতাংশ অ্যাড-হক (Ad-hoc) হিসেবে দ্রুত মিটিয়ে দেওয়া হবে। বাকি অংশটিও জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত প্রদানের চেষ্টা করবে সরকার। জানা গেছে, এর আওতায় কলকাতা কর্পোরেশন এলাকার ব্যাঙ্ক থেকে পেনশন প্রাপক, পূর্ত ও সেচ দপ্তরের ওয়ার্কচার্জ কর্মচারী এবং হোমগার্ডরাও সুবিধা পাবেন।

বৈঠকে অস্থায়ী কর্মীদের অধিকার নিয়েও সরব হন ভাস্কর ঘোষ। অস্থায়ী কর্মীদের বেতন সমস্যা, মেডিকেল লিভ প্রদান, পিএফ (PF) চালু করা এবং বিশেষ করে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রজেক্টে যুক্ত অস্থায়ী কর্মীদের এজেন্সি প্রথার কারণে সঠিক বেতন না পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত বেশ কিছুটা সময় চেয়েছেন বলে জানা গেছে।

রাজ্য নেতৃত্ব সুবীর সাহা জানান, বিভিন্ন সরকারি অফিসের কর্মচারীদের বদলি নীতি সঠিকভাবে প্রণয়ন করা, দূরবর্তী স্থানে ডিটেলমেন্ট হওয়া কর্মচারীদের নিজ জেলায় ফেরানো এবং বাধ্যতামূলক টেট (TET) রায় নিয়ে রাজ্য সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে এদিন।

সব মিলিয়ে নবান্নের এই সদর্থক আলোচনা রাজ্য সরকারি কর্মচারী, বিশেষ করে গ্র্যান্ট-ইন-এইড ভুক্ত কর্মী ও অস্থায়ী কর্মীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

উত্তর: কারিগরি সমস্যার কারণে আটকে থাকা বকেয়া ডিএ-র সমস্যা মেটাতে আপাতত অ্যাড-হক ভিত্তিতে ৫০% বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার বিষয়ে সরকারের তরফ থেকে আশ্বাস মিলেছে।

উত্তর: রোপা-২০০৯ বিধির আওতায় থাকা গ্র্যান্ট-ইন-এইড প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত বকেয়া ডিএ আটকে রয়েছে।

উত্তর: গ্র্যান্ট-ইন-এইড শিক্ষক ও শিক্ষিকা ছাড়াও কলকাতা কর্পোরেশন এলাকার ব্যাঙ্ক থেকে পেনশন প্রাপক, পূর্ত ও সেচ দপ্তরের ওয়ার্কচার্জ কর্মচারী এবং হোমগার্ডরাও এর আওতায় আসবেন।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Sangbad Ekalavya