Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
বদ্রীনাথে অনুদান চুরির তদন্তে চার সদস্যের কমিটি, সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট তলব

বদ্রীনাথে অনুদান চুরির তদন্তে চার সদস্যের কমিটি, সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট তলব

রাম মন্দিরে অনুদান চুরি নিয়ে শোরগোলের মধ্যে হিন্দুদের আরেক পবিত্র তীর্থ বদ্রীনাথেও একই অভিযোগ উঠেছে। বদ্রীনাথে প্রণামী চুরির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তড়িঘড়ি চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করল বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটি (BKTC)। এই কমিটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

বিষয়টি সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছিল বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটি (BKTC)। শনিবার গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল মন্দির কমিটি। বিকেটিসি-র চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার (সিইও) সোহন সিংহ রাঙ্গার জানান, নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে এই কমিটি গঠন করেছেন বিকেটিসির চেয়ারম্যান হেমন্ত দ্বিবেদী। সমস্ত তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখে সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে কমিটিকে। মন্দির চত্বরের সমস্ত সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বয়ান সংগ্রহ করবেন কমিটির আধিকারিকেরা। এর ভিত্তিতেই রিপোর্ট জমা দেবেন তাঁরা।

গত শুক্রবার ভৈরব সেনা নামে একটি হিন্দু সংগঠনের তরফে বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটির কার্যনির্বাহী আধিকারিক সোহন সিং রাঙ্গারকে চিঠি দেওয়া হয়। যেখানে অভিযোগ তোলা হয়, মন্দির কমিটির চেয়ারম্যান হেমন্ত দ্বিবেদীর ব্যক্তিগত সচিব বদ্রীনাথ মন্দিরের প্রণামীর টাকা চুরির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। বিষয়টি তাদের তরফে অনেক আগেই চেয়ারম্যানের নজরে আনা হয়েছিল, কিন্তু মন্দির কমিটির চেয়ারম্যান বিষয়টিকে গুরুত্ব দেননি। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সিসিটিভির সাহায্য নেওয়ারও দাবি জানানো হয়।

শীর্ষ মহলে অভিযোগ ওঠার পরই মন্দির কমিটির চেয়ারম্যান হেমন্ত দ্বিবেদী তদন্তের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে তিনি কমিটির একজন স্থায়ী কর্মী। অভিযুক্ত কর্মী এর আগে ৩ জন চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন। যদি তাঁর বিরুদ্ধে টাকা চুরির অভিযোগ ওঠে তবে তার তদন্ত হবে। অভিযোগ সত্য প্রমাণ হলে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে। পাশাপাশি মন্দির কমিটির কার্যনির্বাহী আধিকারিক সোহন সিং রাঙ্গার বলেন, মন্দিরের সিসিটিভি পরীক্ষা হয়েছে। তবে ফুটেজ বিশেষ স্পষ্ট নয়। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিশেষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। কারচুপি প্রমাণিত হলে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।

উল্লেখ্য, চলতি মরশুমে এখনও পর্যন্ত কেদারনাথ ও বদ্রীনাথ মন্দির থেকে প্রণামী বাবদ প্রায় ৭০ কোটি টাকা অনুদান এসেছে। পাশাপাশি মন্দিরের গেস্ট হাউস থেকেই বিপুল টাকা আয় হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে প্রতি বছর এখান থেকে ৫০ থেকে ৮০ কোটি টাকা আয় হয়। রাম মন্দিরে চুরির ঘটনা সামনে আসার পর এবার বদ্রীনাথেও অনুদান চুরির অভিযোগে স্বাভাবিকভাবেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Sangbad Pratidin