Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story

বন্যাবিধ্বস্ত অসমের পাশে 'মানবিক' সলমন, বাস্তুচ্যুতদের জন্য বড় প্রতিশ্রুতি ভাইজানের

ত ছয় দশকের মধ্যে সবথেকে ভয়াবহ বন্যার কবলে অসম। লাগাতার অতিভারী বর্ষণের জেরে প্রায় জলের তলায় রাজ্যের সাত জেলার একাধিক এলাকা। চোদ্দ জেলায় এখনও জারি উচ্চ সতর্কতা। প্লাবিত অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ মানুষ গৃহহীন। লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। বৃহস্পতিবার প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, বন্যাবিধ্বস্ত অসমে এখনও পর্যন্ত ৯৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

বন্যার জেরে শত শত মানুষ মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়েছেন। বানভাসি এলাকাগুলিতে নষ্ট হয়েছে বিঘার পর বিঘা চাষের জমিও। রুটিরুজি, বাসস্থান, সর্বস্ব খুইয়ে একপ্রকার সর্বহারা অসমের লক্ষ লক্ষ বাসিন্দা। সেসব গৃহহীনদের পাশে দাঁড়়াতেই এবার বড় উদ্যোগ নিলেন সলমন খান (Salman Khan)।

‘বিয়িং হিউম্যান’ সংস্থার বিরুদ্ধে সদ্য ৩ কোটির আর্থিক প্রতারণা মামলা দায়ের হওয়ায় চণ্ডীগড় আদালতের তরফে সমন পেয়েছেন ভাইজান। এমন আবহেই ‘বিয়িং হিউম্যান’ নিয়ে বন্যাবিধ্বস্ত অসমের পাশে বলিউড সুপারস্টার।

 সলমন খান

বলিউড মাধ্যম সূত্রে খবর, দুর্গতদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে সলমনের সংস্থা ‘বিয়িং হিউম্যান’। উল্লেখ্য, সংশ্লিষ্ট সংস্থার বিরুদ্ধে সদ্য ৩ কোটির আর্থিক প্রতারণা মামলা দায়ের হওয়ায় চণ্ডীগড় আদালতের তরফে সমন পেয়েছেন ভাইজান। এমন আবহেই ‘বিয়িং হিউম্যান’ নিয়ে বন্যাবিধ্বস্ত অসমের পাশে বলিউড সুপারস্টার। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই প্রথম দফায় ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছেন সলমন। এবার টিম মারফৎ দ্বিতীয় দফায় ত্রাণবিলি শুরু করেছেন অভিনেতা। তবে এখানেই ক্ষান্ত থাকেননি ভাইজান। বরং রণদীপ হুডার সঙ্গে যোগাযোগ করে বন্যাকবলিত অসমের বাস্তুচ্যুতদের জন্য শয়ে শয়ে বাড়ি তৈরির প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, ‘বিয়িং হিউম্যান’-এর একটি টিম অসমের সবথেকে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রাম নেপালি খুঁটিতে প্রায় ২২০টি অস্থায়ী বাড়ি তৈরি করে দিয়েছে। মোট তিন দফায় অসমে ত্রাণবিলির করার পরিকল্পনা করেছিলেন ভাইজান। তার মধ্যে দুর্গতদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ছিল মূল লক্ষ্য।

বন্যাবিধ্বস্ত অসমে রণদীপ হুডাকে ত্রাণ বিলি করতে দেখে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন সলমন।

 বন্যাবিধ্বস্ত অসম

সূত্রের খবর, বন্যাবিধ্বস্ত অসমে রণদীপ হুডাকে ত্রাণ বিলি করতে দেখে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন সলমন। রণদীপ সলমনকে জানান, ‘গ্লোবাল শিখস’-এর ত্রাণ কার্যক্রমের আওতায় মোট ৭০ জন মিলে কাজ করছেন তাঁরা। এই মুহূর্তে দুর্গতদের ঠিক কী কী প্রয়োজন? সেকথাও ভাইজানকে জানান রণদীপ হুডা। পাশাপাশি ‘গ্লোবাল শিখস’-এর প্রতিষ্ঠাতা অমরপ্রীত সিং সলমনকে জানান, বাঁশ-টিনের ছাউনি দিয়ে অস্থায়ী বাড়ি তৈরির পরিকল্পনা করছেন তাঁরা, যা কিনা বন্যা প্রতিরোধী হবে। এবং এহেন প্রত্যেকটি বাড়ি তৈরিতে খরচ পড়বে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা। এরপরই সলমন অবিলম্বে ওই সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে অসমের বিভিন্ন প্লাবিত এলাকায় ৫০০টি বাড়ি তৈরির প্রতিশ্রুতি দেন।

শনিবারই মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, কীভাবে গৃহহীনদের আবার ঘরে ফেরানো যায়, কীভাবে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা যায়, তার একটা রোডম্যাপ তৈরি করছে সরকার। বন্যাবিধ্বস্তদের পুনর্বাসন এবং ঘরে ফেরানোই এখন মূল লক্ষ্য তাঁদের। বন্যার জল নামতে শুরু করায় লোকজন বাসস্থানে ফিরছেন ঠিকই, কিন্তু এখনও একটা বড় সংখ্যক মানুষ ত্রাণশিবিরে রয়েছেন। সেসব গৃহহীনদের পাশে দাঁড়াতেই বড় উদ্যোগ সলমন খানের।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Sangbad Pratidin