Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
বিশ্ব উষ্ণায়নে বাড়ছে জলস্তর, সমুদ্রগর্ভে তলিয়ে যাবে কলকাতা-মুম্বই! সতর্কবার্তা রাষ্ট্রসংঘের

বিশ্ব উষ্ণায়নে বাড়ছে জলস্তর, সমুদ্রগর্ভে তলিয়ে যাবে কলকাতা-মুম্বই! সতর্কবার্তা রাষ্ট্রসংঘের

বিশ্ব উষ্ণায়নের ভয়াবহতা কতখানি হতে পারে তা ইতিমধ্যেই দেখে ফেলেছে নেপাল। তবে রিপোর্ট বলছে, নেপালের হিমস্খলন ও হড়পা বান ট্রেলার মাত্র, সামনে আরও ভয়ংকর বিপদ এগিয়ে আসছে। সম্প্রতি সেই ইঙ্গিত দিল রাষ্ট্রসংঘ। সোমবার রাষ্ট্রসংঘের তরফে প্রকাশিত রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধির ফল গুরুতরভাবে পড়বে দক্ষিণ এশিয়ার নিচু ব-দ্বীপ অঞ্চলে।

বিশেষ করে কলকাতা, মুম্বই, ঢাকায়। ঘরবাড়ি হারাতে পারেন ১ কোটি ৪০ লক্ষের বেশি মানুষ।

ভাটি অঞ্চলের মানুষকে সতর্ক করে রাষ্ট্রসংঘের তরফে বলা হয়েছে, রেকর্ড গতিতে বেড়ে চলেছে সমুদ্রের জল। ২০১৪-২০২২৩ সাল পর্যন্ত বছরে গড়ে ৪.৭ মিলিমিটার করে বেড়েছে সমুদ্রের জলস্তর। তবে নয়া রেকর্ড গড়ে ২০২৪ সালে একধাক্কায় জলস্তর বেড়েছে ৫.৯ মিলিমিটার। সমুদ্রের জলস্তরের এই আকস্মিক বৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে হিমবাহের গলন ও সমুদ্রের জল গরম হয়ে ওঠা। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে তা রীতিমতো ভয়াবহ। কারণ বিশ্বের প্রায় ৭৭ কোটি মানুষ অর্থাৎ ১০ শতাংশ জনসংখ্যা সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ৫ মিটারের কম উচ্চতায় বাস করেন। এভাবে জলস্তর বাড়তে থাকলে বিপুল সংখ্যক মানুষ ঘরবাড়ি ছাড়া হবেন।

২০১৪-২০২২৩ সাল পর্যন্ত বছরে গড়ে ৪.৭ মিলিমিটার করে বেড়েছে সমুদ্রের জলস্তর। তবে নয়া রেকর্ড গড়ে ২০২৪ সালে একধাক্কায় জলস্তর বেড়েছে ৫.৯ মিলিমিটার।

জলস্তর বৃদ্ধির জেরে রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টে মোট ২ ধরনের ঝুঁকির কথা উঠে এসেছে। বলা হয়েছে, এর জেরে উন্নত দেশগুলিকে মূলত আর্থিক ঝুঁকির মধ্যে পড়তে হবে। যেমন আমেরিকার মায়ামি, নিউ ইয়র্ক বা চিনের গুয়াংঝু-র মতো অঞ্চলগুলির ২ থেকে ৩.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের পরিকাঠামো আর্থিক ঝুঁকির মুখে। অন্যদিকে, কলকাতা, মুম্বইয়ের মতো শহরগুলির সমস্যা হল সেখানকার লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হবেন। সমুদ্রের জল বাড়ার জেরে পানীয় জলের সঙ্গে নোনা জল ঢুকবে, চাষের জমি নষ্ট হবে, বাড়বে জলবাহিত রোগ। ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন মৎস্যজীবীরা, ছোট পর্যটন ব্যবসা, বন্দর নির্ভর অর্থনীতি ধ্বংস হবে। যার ফলে সাধারণ মানুষ বাস্তুচ্যুত ও স্থানান্তরিত হতে বাধ্য হবেন।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Sangbad Pratidin