Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story

ছাদবাগানের আবর্জনা ফেলবেন না, 'স্যান্ডউইচ' পদ্ধতিতে তৈরি হবে উর্বর মাটি

গাছেদের যত্ন নিতে আমরা কত কীই না করি! বাড়ির সামনের এক চিলতে বাগান হোক বা ছাদের অপরিসর স্থান। গাছ লাগিয়ে ফসল ফলাতে দারুণ লাগে। কিন্তু ভালো ফলনের জন্য ভালো মাটি ভীষণ দরকার। বাগানের জন্য আদর্শ মাটি জোগাড় করা মোটেও চাট্টিখানি কথা নয়। তবে, আপনি চাইলে এই সমস্যার সামাধান সম্ভব। কীভাবে?

না, তার জন্য নার্সারিতে দৌড়োবার প্রয়োজন নেই। বাগানের বর্জ্যকেই কাজে লাগিয়ে মাটির পুষ্টিগুণ বাড়িয়ে নিতে পারেন বেশ কয়েক গুণ! খরচ বাঁচিয়ে এবং বর্জ্য কমিয়ে মাটি উর্বর করার এই অভিনব উপায়ের নাম হল 'স্যান্ডউইচ পদ্ধতি'।

 ছবি: সংগৃহীত

আবর্জনা থেকেই পুষ্টি?
প্রতিটি ফসলের মরশুম শেষে বাগানে প্রচুর শুকনো পাতা ও ডালপালা জমে। সাধারণত মানুষ এগুলি ফেলে দেয়। কিন্তু এই 'বর্জ্য' দিয়েই তৈরি হতে পারে বাগানের খাঁটি মাটি। কীভাবে? পদ্ধতিটি একটু ধীরগতির। সময় লাগে মাস দুয়েক। তবে এর ফলে প্রতি মরশুমে নার্সারি থেকে আর দাম দিয়ে সার কেনার প্রয়োজন নেই। খরচ কমবে এক ধাক্কায় অনেকটা। সাধারণত, শীতের শেষে কিংবা জুন মাসের দিকে এই পদ্ধতি শুরু করার সেরা সময়।

কী এই স্যান্ডউইচ পদ্ধতি?
পদ্ধতিটি অত্যন্ত সহজ এবং ঘরোয়া। পর পর কয়েকটি ধাপে এটি করা যায়। কী করবেন?
বর্জ্য সংগ্রহ: গাছের শুকনো অংশ, লতা ও আগাছা এক জায়গায় জড়ো করুন।
প্রথম স্তর: যে টব বা গ্রো ব্যাগে গাছ লাগাবেন, তার একদম নিচে প্রথমে কিছুটা সাধারণ মাটির স্তর তৈরি করুন।
স্যান্ডউইচ তৈরি: ওই মাটির স্তরের ওপর জড়ো করা বাগানের বর্জ্য বা শুকনো পাতা বিছিয়ে দিন। এর ওপর আবার মাটির স্তর দিন। এইভাবে মাটি ও বর্জ্যের পর পর দুই থেকে তিনটি স্তর তৈরি করুন, যাতে পাত্রের অর্ধেকটা ভরে যায়।
পরিমিত জল দিন: স্তর তৈরি হয়ে গেলে পাত্রটিতে ভালো করে জল ঢেলে দিন। জল দিলে পচন প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হয়।
অপেক্ষা: এবার পাত্রটিকে দুই থেকে তিন মাস এভাবেই রেখে দিন। প্রকৃতি নিজের নিয়মেই ভেতরের জৈব উপাদানগুলিকে ভাঙতে শুরু করবে।

 ছবি: সংগৃহীত

ফলাফল ও সুবিধা
কয়েক মাস পর দেখা যাবে, ভেতরের সমস্ত বর্জ্য পচে গিয়ে একেবারে কালো, ঝুরঝুরে ও হালকা উর্বর মাটিতে পরিণত হয়েছে। এই পদ্ধতিতে খাটনি শুধু একবারই। বারবার নার্সারি থেকে ভারী মাটির বস্তা বয়ে আনার ঝক্কি থাকে না। ছাদবাগানের জন্য এই হালকা ও পুষ্টিকর মাটি আদর্শ। বাজারের রাসায়নিক সারের চেয়ে ঘরের এই প্রাকৃতিক সার অনেক বেশি কার্যকরী।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Sangbad Pratidin