Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story

দখলদারি-তোলাবাজিই ছিল পেশা, 'দিদিগিরি' চালিয়ে ধন কুবের! বিরোধীদের নিশানায় লাভলি

সীমাহীন দুর্নীতি। তৃণমূল জমানায় অবৈধ মদের কারবারে মদত, তোলাবাজি, সরকারি জমি-আবাসন দখল করে বিক্রি, সরকারি প্রকল্পের সামগ্রী অপব্যবহারের অভিযোগ সহ একের পর এক দুর্নীতিতে নাম লিখিয়েছিলেন দুর্গাপুর নগর নিগমের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর লাভলি রায়। বিরোধীদের দাবি, দুর্নীতিতে ভর করেই কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক লাভলি।

অভিযোগ, ছোট ব্যবসায়ী, হকার, ঠেলাগাড়ি চালক, ফল ও সবজি বিক্রেতা থেকে শুরু করে স্থানীয় সব দোকানদারদের কাছ থেকেই নিয়মিত মাসোহারা যেত ওই কাউন্সিলরের কাছে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে ব্যবসা করতে দেওয়া হত না। চলত লাগাতার হুমকি।

বিরোধীদের অভিযোগ, তৃণমূল জমানায় ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৎকালীন কাউন্সিলর লাভলি রায়ের কথায় নাকি বাঘে গরুতে একঘাটে জল খেত। অভিযোগ, ছোট ব্যবসায়ী, হকার, ঠেলাগাড়ি চালক, ফল ও সবজি বিক্রেতা থেকে শুরু করে স্থানীয় সব দোকানদারদের কাছ থেকেই নিয়মিত মাসোহারা যেত ওই কাউন্সিলরের কাছে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে ব্যবসা করতে দেওয়া হত না। চলত লাগাতার হুমকি। মামরা বাজারকে ঘিরেও একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে ওই বাজারে একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণ ছিল। ওই ওয়ার্ডের যাবতীয় দুর্নীতির নেপথ্যে ছিলেন এই লাভলি। পাশাপাশি এলাকায় অবৈধ মদের কারবার চলার ক্ষেত্রেও তার মদতের অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। আরও অভিযোগ, সরকারি জমি দখল করে দলীয় কার্যালয় তৈরি করেছিলেন লাভলি। বিরোধীদের দাবি, সেই কার্যালয় কেবল তৃণমূলের কর্মকাণ্ডের জন্য নয়, সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সামগ্রী মজুত করে রাখা হত সেখানে। সবুজ সাথী প্রকল্পের সাইকেল, নির্মল বাংলা প্রকল্পের সামগ্রী এবং অন্যান্য সরকারি জিনিসপত্র সেখানে রাখা হতো বলে অভিযোগ। এমএএমসির সরকারি আবাসন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধীদের অভিযোগ, সরকারি আবাসন দখল করে তা বিক্রি করার একটি চক্র সক্রিয় ছিল এবং সেই ঘটনায় লাভলি রায়ের নাম উঠে এসেছে। পাশাপাশি তৃণমূলের শাসনকালে বিপুল প্রতিপত্তি গজিয়ে উঠেছে লাভলি রায়ের।

 প্রাক্তন কাউন্সিলর লাভলি রায়ের কার্যালয় থেকে উদ্ধার সরকারি সামগ্রী। ছবি: সনাতন গরাই।

বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বুদ্ধদেব মণ্ডলের অভিযোগ, “তৃণমূল আমলে এলাকায় কার্যত ত্রাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এমন ব্যবসায়ী খুঁজে পাওয়া কঠিন, যিনি কোনও না কোনওভাবে চাপের মুখে পড়েননি। ঠেলাগাড়ি নিয়ে ব্যবসা করতে আসা সাধারণ মানুষকেও নানা বাধার সম্মুখীন হতে হত। প্রতিবাদ করলেই দলীয় কার্যালয়ে ডেকে হুমকি দেওয়া হত। ওই দলীয় কার্যালয়ের একটি গোপন ঘর থেকেই বিভিন্ন বেআইনি কর্মকাণ্ডের হিসাব-নিকাশ চলত বলে অভিযোগ রয়েছে। অতীতে একাধিকবার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও কোনও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বর্তমানে নতুন করে অভিযোগ দায়ের হয়েছে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।”

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Sangbad Pratidin