Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
দিল্লিতে জরুরি বৈঠকে শুভেন্দু-শমীক-বনসল, এনসিপিআই সাংসদদের নিয়ে আলোচনা নাকি অন্য কিছু?

দিল্লিতে জরুরি বৈঠকে শুভেন্দু-শমীক-বনসল, এনসিপিআই সাংসদদের নিয়ে আলোচনা নাকি অন্য কিছু?

দিল্লিতে জরুরি বৈঠকে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল। ওই বৈঠকের পরই জল্পনা, মঙ্গলবার রাজধানী দিল্লিতেই কি নির্ধারিত হয়ে যাবে আগামী দিনের বঙ্গ রাজনীতির গতিপ্রকৃতি? এদিন সকাল থেকে একের পর এক বৈঠক, আলোচনা অন্তত সেদিকেই ইঙ্গিত করছে।

এদিন সকালেই এনডিএ-র বৈঠকে যোগ দেন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ শিবির তথা এনসিপিআই সাংসদরা। একেবারে মোদি-শাহর সঙ্গে প্রথম সারিতে বসেছিলেন বিক্ষুব্ধ শিবিরের দুই সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদার। ওই বিক্ষোভে গরহাজির ছিলেন এনসিপিআইয়ের ৩ সংখ্যালঘু সাংসদ। পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আলাদা করে ওই এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তারপরই বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের দিল্লির বাড়িতে জরুরি বৈঠকে বসে পড়লেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল।

বলে রাখা দরকার, এই সুনীল বনসলের হাত ধরেই তৃণমূলের ওই বিক্ষুব্ধ সাংসদরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে নিজেদের আলাদা গোষ্ঠী হিসাবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেন। তৃণমূল ছেড়ে সদলবলে এনসিপিআইতে মিশে যাওয়ার সিদ্ধান্তটাও তাঁর বাড়িতে বসেই নেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়রা। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর সঙ্গে রাজ্য বিজেপির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই ব্যক্তির বৈঠকে এনসিপিআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হবে সেটা প্রত্যাশিত। তাছাড়া এনসিপিআই নিজেদের আলাদা দল বলে ঘোষণা করলেও লোকসভার স্পিকার এখনও তাঁদের এনসিপিআই স্বীকৃতি দেননি। বরং তৃণমূলের আলাদা গোষ্ঠী হিসাবে বসার জায়গা বদলে দিয়েছেন শুধু। শোনা যাচ্ছে, নামগোত্রহীন এনসিপিআইতে ২০ জন সাংসদকে একসঙ্গে শামিল করানোটা কতটা আইনসম্মত হবে, তা নিয়ে স্পিকার নিজেও সন্দিহান। তাই এই বিক্ষুব্ধ তৃণমূলীদের সোজা বিজেপিতে যোগদান করানো যায় কিনা সেটা নিয়েও একটা আলোচনা চলছে। শমীক-শুভেন্দু-বনসল বৈঠক সেদিক থেকে এনসিপিআই সাংসদদের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।

তবে দিল্লির ওই মহাগুরুত্বপূর্ণ বৈঠক যে শুধু এনসিপিআই নিয়ে আলোচনায় সীমাবদ্ধ থাকবে, সেটা ভেবে নেওয়ার কোনও কারণ নেই। বস্তুত গোটা রাজ্যে দলের নিচুতলার সংগঠনে একটা ঝাঁকুনি দিতে পারে বিজেপি। নিচুতলায় দলে যে বেনোজল ঢুকে যাচ্ছে, তা নিয়ে দিন দুই আগেই উদ্বেগপ্রকাশ করেছেন খোদ শমীক ভট্টাচার্য। দলের তৃণমূলীকরণ-নিচুতলায় তোলাবাজি নিয়েও উদ্বেগপ্রকাশ করেছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে দলের সংগঠন নিয়েও আলোচনা হতে পারে ওই হেভিওয়েট নেতাদের মধ্যে। আবার সামনেই পুরভোট, তাতে কাদের প্রার্থী করা হবে, কাদের ছাঁটাই করা হবে, সেসব নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Sangbad Pratidin