Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
গুলির অবস্থান জানতে ডিজিটাল এক্স রে, ৩ সদস্যের নজরদারিতে বারুইপুরের প্রভাসের ময়নাতদন্ত

গুলির অবস্থান জানতে ডিজিটাল এক্স রে, ৩ সদস্যের নজরদারিতে বারুইপুরের প্রভাসের ময়নাতদন্ত

বারুইপুর কাণ্ডে এনকাউন্টারে মৃত অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের ময়নাতদন্তে তিন সদস্যের বিশেষ বোর্ড গঠন করল স্বাস্থ্যদপ্তর। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নিয়ম মেনে বোর্ড গঠন করা হয়েছে। ওই বোর্ডে রয়েছেন তিনটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক মেডিসিন বিভাগে বিশিষ্ট চিকিৎসক। এছাড়া গুলির অবস্থান জানতে ডিজিটাল এক্স রে করা হয় প্রভাসের।

তারপরই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে হবে ময়নাতদন্ত।

প্রথমে প্রভাসের দেহ কাঁটাপুকুর মর্গে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। তারপর তার দেহ পাঠানো হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে। রাত সওয়া ৮টা পর্যন্ত ওই হাসপাতালের ইডেন বিল্ডিংয়ের সামনে শববাহী গাড়িতেই ছিল। ময়নাতদন্ত শুরুর আগে প্রভাসের দেহের ডিজিটাল এক্স রে করা হয়। ঠিক কোথায় গুলি লেগেছে, তা জানতে ডিজিটাল এক্স রে করা হয়।

ময়নাতদন্তের বিশেষ বোর্ডে রয়েছেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর শাশ্বত বিশ্বাস, এনআরএস মেডিক্যাল কলেজের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর সায়ক শোভন দত্ত এবং ন্যাশনাল মেডিক্য়াল কলেজের প্রফের অলোক মজুমদার। জানা গিয়েছে, নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ময়নাতদন্তের সম্পূর্ণ ভিডিওগ্রাফি করা হবে। ন্যূনতম ২৫টি স্টিল ফোটোগ্রাফিও বাধ্যতামূলক।

উল্লেখ্য, গত রবিবার বারুইপুরে উদ্ধার হয় নাবালিকার দেহ। প্রথমে গ্রেপ্তার হয় প্রভাস মণ্ডল। মঙ্গলবার দিনভর তাকে জেরা করে পুলিশ। রাতে ঘড়ির কাঁটায় পৌনে ১ টা নাগাদ প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে বারুইপুরের সূর্যপুরে অর্থাৎ অকুস্থলে যান সিটের সদস্যরা। নিয়ম অনুযায়ী ধৃতদের জেরায় বলা বক্তব্যের সঙ্গে পুর্ননির্মাণের তথ্য মিলিয়ে দেখতে হয়। সেই সময়ই শুরু হয় পুনর্নিমাণের কাজ। জানা যাচ্ছে, আচমকা সিটের সদস্য রনি সরকারের কোমরে থাকা পিস্তল কেড়ে নেয় প্রভাস। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই এক রাউন্ড গুলি চালায় সে। বিপদ বুঝে এরপরই আত্মরক্ষার্থে গুলি চালান বারুইপুর থানার গুন্ডাদমন শাখার দায়িত্বে থাকা অর্ঘ্য মণ্ডল। তাতেই খতম প্রভাস।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Sangbad Pratidin