Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
জাল স্কোরকার্ডে এনটিএ-র বিরুদ্ধে মামলা! নিট পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশ বিচারপতি সিনহার

জাল স্কোরকার্ডে এনটিএ-র বিরুদ্ধে মামলা! নিট পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশ বিচারপতি সিনহার

নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ঘিরে দেশজুড়ে তোলপাড়। ছাত্র-যুবদের দাবিতে মান্যতা দিয়ে ইস্তফা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রীও। এই আবহেই এবার নিট পরীক্ষার ফলাফলে কারচুপির অভিযোগ পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির কথা জানাল কলকাতা হাই কোর্ট। বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশ, এনটিএ চাইলে নিটের ফলাফলে কারচুপিতে অভিযুক্ত পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবে।

এনটিএ-র আইনজীবী জানান, সংশ্লিষ্ট মামলাকারীর জমা দেওয়া সমস্ত নথিপত্র জাল এবং বিকৃত। তিনি যে স্কোর কার্ডটি জমা দিয়েছেন সেটিও ২০২৫ সালের। তাঁর জমা দেওয়া ওএমআর শিটও বিকৃত। এনটিএ জানিয়েছে, ওই পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী ৩ বছর তিনি আর পরীক্ষায় বসতে পারবেন না।

এনটিএ কম নম্বর দিয়েছে, এই অভিযোগ করে মামলা দায়ের হয় হাই কোর্টে। সেই মামলার প্রেক্ষিতেই এনটিএ-র রিপোর্ট চায় আদালত। সেই রিপোর্টে দেখা যায়, প্রকৃত নম্বর গোপন করে আদালতে মামলাগুলি দায়ের হয়। রিপোর্টে প্রকাশ করা হয়, একজন পরীক্ষার্থী তিনটি আলাদা আলাদা ফলাফল জমা দিয়ে মামলা করেছেন। এনটিএ-র আইনজীবী জানান, সংশ্লিষ্ট মামলাকারীর জমা দেওয়া সমস্ত নথিপত্র জাল এবং বিকৃত। তিনি যে স্কোর কার্ডটি জমা দিয়েছেন সেটিও ২০২৫ সালের। তাঁর জমা দেওয়া ওএমআর শিটও বিকৃত। এনটিএ জানিয়েছে, ওই পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী ৩ বছর তিনি আর পরীক্ষায় বসতে পারবেন না।

মামলায় এক পরীক্ষার্থীর দাবি ছিল, ফলাফলে ৩৭০ নম্বরের গরমিল করেছে এনটিএ। সেটিও ভুয়ো বলে জানিয়েছে পরীক্ষক সংস্থা। আদালতের ভয়ে ওই মামলা প্রত্যাহার করার আবেদন করেন পরীক্ষার্থী। এই রিপোর্ট দেখেই বিচারপতি অমৃতা সিনহার পর্যবেক্ষণ, “জাল নথি দিয়ে আদালতকে প্রতারিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। মামলাটি খারিজ করার পাশাপাশি এনটিএ পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবে বলেও নির্দেশ দেন বিচারপতি। মামলার সঙ্গে যুক্ত এক আইনজীবী বলেন, “এত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় ভুল নথি দিয়ে মামলা দায়ের হয়েছে! নথি সঠিক কি না, তা যাচাই করা আমাদের পক্ষে অসম্ভব। ফলে কোর্টের কাছে আমাদেরই বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে।” তাঁর দাবি, দু’একটি ব্যতিক্রম নেই, এমন নয়। জাল নথি ব্যবহার করে একাধিক মামলার বেশ কিছু কারণ আছে বলে মনে করছেন আইনজীবীরা।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Sangbad Pratidin