Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
মদ্যপ ছেলেকে না দিয়ে সম্পত্তি নাতিকে, আক্রোশে আড়াই বছরের সেই শিশুকেই 'খুন' বাবার!

মদ্যপ ছেলেকে না দিয়ে সম্পত্তি নাতিকে, আক্রোশে আড়াই বছরের সেই শিশুকেই 'খুন' বাবার!

ছেলে মদ্যপ। সেজন্য সম্পত্তি ছেলেকে না দিয়ে নাতিকে দিয়েছিলেন বৃদ্ধ। সেই নিয়ে বিস্তর ঝামেলা হয়েছিল ওই পরিবারে। সম্পত্তির লোভ ও রাগে শেষপর্যন্ত আড়াই বছরের ওই শিশুকেই গলা টিপে 'খুন' করল মদ্যপ বাবা! হাড়হিম করা ওই ঘটনা উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের বাদুড়িয়া (Baduria) এলাকার। ধৃত ওই যুবকের নাম প্রসেনজিৎ সরকার।

মৃত শিশুর নাম অরিজিৎ সরকার। ঘটনা নিয়ে এলাকায় জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাদুড়িয়া পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে বাস ওই পরিবারের। প্রসেনজিৎ সরকার মদ্যপ, জুয়ারি হিসেবেই এলাকায় পরিচিত। সেই নিয়ে পরিবারে অশান্তিও ছিল। পরিবারের জিনিসপত্র বিক্রি করে মদ খাওয়ার ঘটনাও অতীতে ঘটিয়েছে প্রসেনজিৎ! পরিবার ও সম্পত্তি বাঁচাতে শেষপর্যন্ত প্রসেনজিতের বাবা সম্পত্তি তাঁর আড়াই বছরের নাতির নামে করে দিয়েছিলেন! কেন তাঁকে বাদ দিয়ে ছেলেকে সম্পত্তির মালিক করা হল? সেই নিয়ে বাড়িতে বিস্তর অশান্তিও করেছিল প্রসেনজিৎ! শেষপর্যন্ত নিজের আড়াই বছরের শিশুকেই গলা টিপে খুন করার অভিযোগ উঠল ওই যুবকের বিরুদ্ধে।

পরিবারের দাবি, মাঝে শিশুকে খুনের চেষ্টাও করেছিল বাবা! সেসময় পুলিশে অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তারও করা হয়। খুনের চেষ্টার অভিযোগে কয়েক মাস জেলও খেটেছে। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে বাড়ি ফেরে।

রবিবার ছেলেকে বাড়ির একটি অন্য ঘরে সকলের অগোচরে নিয়ে গিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনা জানাজানি হতেই ওই যুবককে পাকড়াও করা হয়। বাদুড়িয়া থানার পুলিশ ওই যুবককে প্রথমে আটক ও পরে গ্রেপ্তার করে। ওই শিশুকে বাদুড়িয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বসিরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সোমবার ধৃতকে বসিরহাট আদালতে তোলা হয়। বিচারক ধৃতকে পাঁচদিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রসেনজিৎ দীর্ঘদিন নিয়মিত কোনও কাজ করত না। মদ্যপান ও জুয়ার নেশাতেই আসক্ত থাকত। নেশার খরচ জোগাতে অতীতে পরিবারের সম্পত্তির একাংশ বিক্রি দিয়েছিল প্রসেনজিৎ! অবশিষ্ট পৈতৃক সম্পত্তি যাতে আর হাতছাড়া না হয়, সেজন্য বাধ্য হয়ে আড়াই বছরের নাতির নামে তা রেজিস্ট্রি করে দেন বৃদ্ধ দাদু। পরিবারের দাবি, সেই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তের ক্ষোভ বাড়তে থাকে। মাঝে শিশুকে খুনের চেষ্টাও করেছিল বাবা! সেসময় পুলিশে অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তারও করা হয়। খুনের চেষ্টার অভিযোগে কয়েক মাস জেলও খেটেছে। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে বাড়ি ফেরে। কিন্তু ছেলেকে প্রাণে মেরে ফেলবে! এই কথা ভাবতেই পারেনি পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Sangbad Pratidin