Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
মুম্বইয়ে কাগুজে পুলিশ! ভূতুড়ে কর্মীর অ্যাকাউন্টে নিয়মিত ঢুকছে বেতন, বিরাট দুর্নীতি প্রকাশ্যে

মুম্বইয়ে কাগুজে পুলিশ! ভূতুড়ে কর্মীর অ্যাকাউন্টে নিয়মিত ঢুকছে বেতন, বিরাট দুর্নীতি প্রকাশ্যে

চোখে দেখা না গেলেও, কাগজে-কলমে দিব্যি রয়েছেন তাঁরা। নিয়ম করে প্রতিমাসে তাঁদের অ্যাকাউন্টে ঢুকছে সরকারি বেতনের টাকাও। মুম্বইয়ের পুলিশ (Mumbai Police) বিভাগে খোঁজ মিলল অস্তিত্বহীন এমন একাধিক পুলিশকর্মীর। তথ্য বলছে, ভূতুড়ে এই পুলিশকর্মীদের পিছনে বেতন বাবদ সরকারের ইতিমধ্যেই খরচ হয়েছে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা।

পুলিশ বিভাগে বড়সড় এই কেলেঙ্কারির তথ্য সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

জানা যাচ্ছে, পুরোনো 'সেভার্থ' (Sevarth) পোর্টাল থেকে নতুন সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্মে কর্মী ও বেতনের তথ্য স্থানান্তরের সময় প্রকাশ্যে এসেছে বিরাট এই আর্থিক কেলেঙ্কারি। এক পুলিশকর্তার দায়ের করা অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি, এবং ২০২০ সালের জুন থেকে সেপ্টেম্বর, দুই দফায় এই বেতন কারচুপির ঘটনা ঘটে। ১০ জন এমন ব্যক্তির নাম সামনে আসে যাদের সঙ্গে পুলিশ বিভাগের কোনও সম্পর্ক নেই, অথচ মোটা অঙ্কের সরকারি মাইনে নিয়ম করে ঢুকেছে তাঁদের অ্যাকাউন্টে। মুম্বই পুলিশের ভুয়ো এই কর্মীরা হলেন, রামদাস ভোগলে, সুধাকর কদম, সরজু যাদব, ভগবত ভোসলে, গুনাজি খাওকর, মহাদেব হলদংকর, রাজেন্দ্র সোনার, উত্তম থোরাট, সূর্যকান্ত পাতিল এবং পান্ডুরং কদম।

তথ্য বলছে, ভূতুড়ে এই পুলিশকর্মীদের পিছনে বেতন বাবদ সরকারের ইতিমধ্যেই খরচ হয়েছে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা।

কেলেঙ্কারি নজরে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে মুম্বই পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান হচ্ছে, দপ্তরের কিছু প্রশাসনিক কর্তা ও ক্লার্ক নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে এই কারচুপি করেছেন। হাজিরার রেজিস্টার এবং বেতনের নথিপত্র জাল করে বহিরাগতদের নাম বেতনের তালিকায় ঢোকানো হয়। যারা সেই সময় দায়িত্বে থাকা ৩ জন আধিকারিক ও ২ জন ক্লার্কের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযুক্ত ৩ আধিকারিক ইতিমধ্যেই অবসর নিয়েছেন। অভিযুক্ত ২ ক্লার্ককে সাসপেন্ড করে তদন্ত শুরু হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, সরকারি টাকা যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিতে যেত সেগুলি কে বা কারা নিয়ন্ত্রণ করত? মুম্বই পুলিশের পাশাপাশি রাজ্যের অন্যান্য দপ্তরে এই ধরনের কারচুপি হয়েছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অবশ্য এহেন দুর্নীতির ঘটনা মহারাষ্ট্রে এই প্রথমবার নয়, অতীতে ধুলে ও লাতুর জেলাতেও এমন কুকীর্তির ঘটনা সামনে আসে। যদিও সেক্ষেত্রে টাকার অঙ্ক এতটা ছিল না।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Sangbad Pratidin