Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
ফের যুদ্ধের ভ্রূকুটিতে হু হু করে বাড়ছে অশোধিত তেলের দাম, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা দেশে

ফের যুদ্ধের ভ্রূকুটিতে হু হু করে বাড়ছে অশোধিত তেলের দাম, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা দেশে

যুদ্ধবিরতি শেষ। মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-আমেরিকা ফের সংঘাতের আবহ। বুধবার রাত থেকে ফের ইরানে হামলা শুরু করেছে আমেরিকা। বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে তেহরান, বন্দর আব্বাস-সহ ইরানের একের পর এক শহর। এই পরিস্থিতিতে অবশ্যম্ভাবী যে সংকট সেটা হল জ্বালানির। ইরান ও আমেরিকার মধ্যে নতুন করে এই যুদ্ধের আবহ তৈরি হতেই ফের হু হু করে বাড়তে শুরু করেছে অশোধিত তেলের দাম।

দিন দুই আগে পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম ছিল ব্যারেল প্রতি ৭৭-৭৮ ডলার। সেটা গত দু’দিনে বেড়ে ৮০ ডলার পেরিয়েছে। দু’দিনে প্রায় ৬ শতাংশ দাম বেড়েছে অশোধিত তেলের। স্বাভাবিকভাবেই মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সবচেয়ে রক্তাক্ত দিনগুলির আতঙ্ক তাড়া করছে বাজার বিশেষজ্ঞদের। যুদ্ধ চলাকালীন অশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলারে পৌঁছে গিয়েছিল। সে তুলনায় গত কয়েক সপ্তাহে দামটা কমেছিল। সেটা মূলত ইরান-আমেরিকার শান্তি আলোচনার সুবাদে। সেই শান্তি আলোচনা ভেস্তে যেতেই নতুন করে তেলের দাম বাড়া নিয়ে উদ্বেগ শুরু হয়েছে।

এখন নতুন করে অশোধিত তেলের দাম বাড়ায় আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে দেশের বাজারে জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে। দিন দুই আগেই পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ পুরী জানিয়েছেন, ৩০ জুন পর্যন্ত মোটা অঙ্কের লোকসানে তেল বিক্রি করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি। সব মিলিয়ে ৭৪ হাজার কোটি টাকা লোকসান হয়েছে সংস্থাগুলির। সেই লোকসান এখনও সামলে উঠতে পারেনি তারা। ফের নতুন করে লোকসানের আশঙ্কা তৈরি হলে সেটার প্রভাব যে আমজনতার উপর পড়বে সেটা বলাই বাহুল্য।

আমেরিকা-ইরানের মধ্যে নতুন করে এই সংঘাত যে জ্বালানি সংকট তৈরি করতে পারে সেটা অনুধাবন করতে পারছে নয়াদিল্লিও। ইতিমধ্যেই বিদেশমন্ত্রক দু’পক্ষের কাছেই হরমুজে জাহাজ চলাচলে স্বাভাবিক রাখার আর্জি জানিয়ে বিবৃতি জারি করেছে। দিল্লির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'পশ্চিম এশিয়ায় যেভাবে উত্তেজনা বাড়ছে তাতে ভারত খুবই চিন্তিত। আন্তর্জাতিক জলসীমায় বাণিজ্যিক জাহাজের উপর হামলা হচ্ছে। তার ফলে শান্তি এবং নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। ভারত চায় সবপক্ষ যেন সংযত থাকে, সাধারণ মানুষের জীবনের সুরক্ষা এবং অবাধে জাহাজ চলাচল যেন সুনিশ্চিত হয়। সকলকে অনুরোধ, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে যেন দীর্ঘমেয়াদি শান্তি নিশ্চিত করা হয়।'

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Sangbad Pratidin