Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
রাম মন্দিরের পর বদ্রীনাথেও অনুদান লুট! প্রাথমিক রিপোর্ট আসতেই সাসপেন্ড ট্রাস্টের কর্মী

রাম মন্দিরের পর বদ্রীনাথেও অনুদান লুট! প্রাথমিক রিপোর্ট আসতেই সাসপেন্ড ট্রাস্টের কর্মী

রাম মন্দিরে অনুদান চুরি নিয়ে শোরগোলের মধ্যে হিন্দুদের আরেক পবিত্র তীর্থ বদ্রীনাথেও একই অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের পরেই বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটির (BKTC) এক কর্মীকে সাসপেন্ড করা হল। বিকেটিসি চেয়ারম্যান হেমন্ত দ্বিবেদী জানিয়েছেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে কিছু অনিয়মের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে।

এর পরেই প্রমোদ নৌটিয়াল নামের এক ব্যক্তিকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তিনি মন্দির কমিটির অধীনে ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে কাজ করছিলেন।

বদ্রীনাথে অনুদান চুরি নিয়ে অভিযোগ উঠতেই নড়েচড়ে বসে বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটি। উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেয় মন্দির কমিটি। বিকেটিসি-র চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার (সিইও) সোহন সিংহ রাঙ্গার জানান, নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে এই কমিটি গঠন করেছেন বিকেটিসির চেয়ারম্যান হেমন্ত দ্বিবেদী। সমস্ত তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখে সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে কমিটিকে। মন্দির চত্বরের সমস্ত সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বয়ান সংগ্রহ করবেন কমিটির আধিকারিকেরা। এর ভিত্তিতেই রিপোর্ট জমা দেবেন তাঁরা।

এদিকে মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামীর নির্দেশে উত্তরাখণ্ড সরকারও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তিন সদস্যের কমিটির মাথায় বসানো হয়েছে গাড়ওয়াল ডিভিশনের কমিশনারকে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে রিপোর্ট জমা দেবে কমিটি। বিকেটিসি চেয়ারম্যান হেমন্ত দ্বিবেদী দাবি করেছেন, দুর্নীতির কোনও ক্ষমা নেই। তদন্তে কোনও কর্মী দোষী সাব্যস্ত হলে, তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গত শুক্রবার ভৈরব সেনা নামে একটি হিন্দু সংগঠনের তরফে বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটির কার্যনির্বাহী আধিকারিক সোহন সিং রাঙ্গারকে চিঠি দেওয়া হয়। যেখানে অভিযোগ তোলা হয়, মন্দির কমিটির চেয়ারম্যান হেমন্ত দ্বিবেদীর ব্যক্তিগত সচিব বদ্রীনাথ মন্দিরের প্রণামীর টাকা চুরির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। বিষয়টি তাদের তরফে অনেক আগেই চেয়ারম্যানের নজরে আনা হয়েছিল, কিন্তু মন্দির কমিটির চেয়ারম্যান বিষয়টিকে গুরুত্ব দেননি। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সিসিটিভির সাহায্য নেওয়ারও দাবি জানানো হয়।

উল্লেখ্য, চলতি মরশুমে এখনও পর্যন্ত কেদারনাথ ও বদ্রীনাথ মন্দির থেকে প্রণামী বাবদ প্রায় ৭০ কোটি টাকা অনুদান এসেছে। পাশাপাশি মন্দিরের গেস্ট হাউস থেকেই বিপুল টাকা আয় হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে প্রতি বছর এখান থেকে ৫০ থেকে ৮০ কোটি টাকা আয় হয়। রাম মন্দিরে চুরির ঘটনা সামনে আসার পর এবার বদ্রীনাথেও অনুদান চুরির অভিযোগে স্বাভাবিকভাবেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Sangbad Pratidin