Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story

'সত্যকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা', কেন্দ্রকে তোপ দেগে দিলজিতের নিষিদ্ধ ছবির বিশেষ স্ক্রিনিং শিখ সংগঠনের

দীর্ঘ তিন বছরের টালবাহানার পর সবে মুক্তির আলো দেখেছিল দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ অভিনীত 'সতলুজ'। যদিও আইনি জটিলতার জেরে বড়পর্দার মুখ দেখার অবকাশ পায়নি। পরিবর্তে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে রিলিজ হয়। তবে মুক্তির দিন দুয়েকের মধ্যেই ফের নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় জি ফাইভ থেকেও তুলে নেওয়া হয় ছবিটি। কেন্দ্রের নিষিদ্ধ কাঁটায় ইতিমধ্যেই দিলজিতের 'সতলুজ' ঘিরে রাজনৈতিকমহলে চাপানোতর শুরু হয়েছে।

এবার ‘পাঞ্জাব দি পুত্তরে’র হয়ে সুর চড়াল দিল্লি শিখ গুরুদ্বারা ম্যানেজমেন্ট কমিটি।

“এটা মানবাধিকার কর্মী যশবন্ত সিং খালরার কাহিনিকে ধামাচাপা দেওয়ার প্রচেষ্টা ব্যতীত আর কিছুই নয়।”

‘সতলুজ’ ছবিটির বিরুদ্ধে একুশ সালের তথ্যপ্রযুক্তি আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। শোনা যাচ্ছে, সেন্সরের তরফে যথাযথ ছাড়পত্র পাওয়ার আগেই নাকি এই সিনেমাটিকে জি ফাইভ-এ রিলিজ করেছেন নির্মাতারা। যদিও দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ (Diljit Dosanjh) এবং ‘সতলুজ’ নির্মাতাদের প্রতি সমর্থন অক্ষুণ্ণ রেখে সংশ্লিষ্ট ওয়েব প্ল্যাটফর্মের তরফে জানানো হয়েছে যে, কেন্দ্রের পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই সিনেমা আর দেখা যাবে না। এমন আবহেই তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, সিনেমাহলে রিলিজ করার জন্য নিয়মমাফিক ছাড়পত্র ছবিটির ছিল না, কিন্তু সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই নির্মাতারা ছবিটির নাম পরিবর্তন করে ‘সতলজ’ রিলিজ করান ওটিটি প্ল্যাটফর্মে। সংশ্লিষ্ট সিনেমা ঘিরে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, তার পর্যালোচনা করার জন্য উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক। এমতাবস্থায় দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের হয়ে গর্জে উঠল দিল্লি শিখ গুরুদ্বারা ম্যানেজমেন্ট কমিটি। তাঁদের কথায়, “এটা মানবাধিকার কর্মী যশবন্ত সিং খালরার কাহিনিকে ধামাচাপা দেওয়ার প্রচেষ্টা ব্যতীত আর কিছুই নয়।”

 দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের নিষিদ্ধ ‘সতলুজ’ পর্যালোচনায় উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন কেন্দ্রের

দিল্লি শিখ গুরুদ্বারা ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি হরমিত সিং কালকা বলেন, জনসাধারণকে ছবিটি দেখা থেকে বিরত রাখা মানে পাঞ্জাবের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে মুছে ফেলার শামিল। তাঁর সংযোজন, “যেহেতু এই ছবিটি যশবন্ত সিং খালরার জীবন অবলম্বনে তৈরি, সেই প্রেক্ষিতেই এতে দেখানো হয়েছে কীভাবে একজন সমাজকর্মী মানুষের চোখ খুলে দিয়েছিলেন। যিনি ২৫,০০০ মৃতদেহের সন্ধান পেয়েছিলেন, যাদের ‘বেওয়ারিশ লাশ’ হিসেবে দাহ করা হয়েছিল। পাঞ্জাবের এহেন ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা গোটা বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছিলেন খালরা। তাই এরকম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক অধ্যায় দর্শককে চাক্ষুষ করতে না দেওয়া অত্যন্ত অন্যায়। সিনেমাটিকে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম থেকে তুলে নেওয়ায় শিখ সম্প্রদায়ের মধ্যেও ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।” পাশাপাশি দেশের সমস্ত শিখ সংগঠনগুলিকে দিলজিতের ‘সতলুজ’ জনমানসের কাছে তুলে ধরার আর্জিও জানিয়েছেন দিল্লি শিখ গুরুদ্বারা ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Sangbad Pratidin