Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
টাকা খেয়ে অনুমোদন! তারাতলা বিপর্যয়ে ধৃত কালীচরণের আরও কীর্তি সামনে

টাকা খেয়ে অনুমোদন! তারাতলা বিপর্যয়ে ধৃত কালীচরণের আরও কীর্তি সামনে

‘তারাতলা বিভীষিকা’ প্রাণ কেড়েছে ১৬ শ্রমিকের। নির্মীয়মাণ গোডাউনের নেপথ্যে যিনি কলকাঠি নেড়েছিলেন, তিনি প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ওএসডি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। যিনি বর্তমানে শ্রীঘরে। এদিকে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নির্মীণকাজ অনুমোদন প্রক্রিয়ার পরতে পরতে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ।

কলকাতা পুরসভার অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এমনই তথ্য।

সূত্রের খবর, কলকাতা পুরসভার রিপোর্ট অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট গোডাউনটির বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদনের সময় মাটি পরীক্ষার রিপোর্টই জমা পড়েনি পুরসভায়। শুধু তাই নয়, নির্মাণকাজ চলাকালীন স্ট্রাকচারাল ডিজাইনের ব্লু প্রিন্ট নথিভুক্ত ছিল না বলেও অভিযোগ। যা নির্মাণকাজের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক।পুরসভা সূত্রের খবর, তারাতলা দুর্ঘটনার পর নথিপত্র খতিয়ে দেখে এমনই একাধিক তথ্য সামনে এসেছে।তারাতলায় নির্মীয়মাণ গোডাউনের অনুমোদনে শুরু থেকেই গলদ ছিল।প্রাথমিক কারিগরি পরীক্ষার পর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেযজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ, সংশ্লিষ্ট কাঠামোর নকশায় একাধিক ত্রুটি পাওয়া গিয়েছিল।

পুরসভার অন্দরমহলেই এই সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে। অভিযোগ, তৎকালীন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ওএসডি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে অনুমোদন পাইয়ে দিয়েছিলেন। প্রয়োজনীয় নথি ছাড়াই নির্মাণের ছাড়পত্র দেয় পুরসভা। কলকাতা পুরসভা বিল্ডিং বিভাগের এক আধিকারিকের দাবি, ‘গত আট বছর ধরে পুরসভার প্রশাসনিক কাজে একনায়কতন্ত্র চালিয়ে গিয়েছিলেন কালীচরণ। তিনি কোনও কাজে অনুমোদন দিলে তার উপরে পুরসভার কোনও শীর্ষ কর্তার কথা বলার সাহস ছিল না।’ আধিকারিকের আরও অভিযোগ, “কোনও বিল্ডিংয়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত যাচাই ছাড়াই নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হত কালীচরণের মদতে।” পুরসভার একাংশের মতে, শুধু তারাতলাই নয়, ওই সময়ে অনুমোদন দেওয়া অন্যান্য বড় প্রকল্পগুলিও নতুন করে প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত পরীক্ষা-নিরীক্ষার আওতায় আনা উচিত।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Sangbad Pratidin