Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
'যুদ্ধবিরতি শেষ', হরমুজে লাগাতার হামলায় 'রক্তচক্ষু' ট্রাম্পের, এবার ইরানে স্থল অভিযান আমেরিকার?

'যুদ্ধবিরতি শেষ', হরমুজে লাগাতার হামলায় 'রক্তচক্ষু' ট্রাম্পের, এবার ইরানে স্থল অভিযান আমেরিকার?

রানের লাগাতার হামলায় জ্বলছে 'তৈল ধমনী' হরমুজ প্রণালী। তেহরানকে 'শিক্ষা দিতে' খামেনেইয়ের দেশে ফের হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। পালটা জবাব দিয়েছে ইরানও। এই পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তিনি ঘোষণা করে দিলেন তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শেষ। আর তিনি সময় নষ্ট করবেন না।

মঙ্গলবার থেকে তুরস্কের আঙ্কারায় শুরু হয়েছে আমেরিকার নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন। সেখানে উপস্থিত হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বুধবার সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “ইরানের নেতারা অত্যন্ত নীচ এবং বিকৃত মানসিকতার। তেহরানের সঙ্গে কোনও ধরনের আলোচনায় আর আমরা যেতে চাই না। তিন সপ্তাহ আগে ইরানের সঙ্গে যে মউ স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তা শেষ। তাদের সঙ্গে আমরা আর কোনও সম্পর্ক রাখতে চাই না।” ট্রাম্পের কথায়, “ইরানি নেতারা অত্যন্ত নিষ্ঠুর এবং হিংস্র। ওদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে, তারা ঠিক ব্যবহার করত।” মার্কিন প্রেসিডেন্টের ‘রক্তচক্ষু’র পরই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি ইরানে এবার স্থল অভিযানের পরিকল্পনা করছে ওয়াশিংটন?

ইরাক, আফগানিস্তান-সহ একাধিক দেশে সেনা পাঠিয়ে স্থল অভিযানের ইতিহাস রয়েছে আমেরিকার। কিন্তু ইরানে প্রবেশ করে অভিযান চালানো কি সহজ হবে আমেরিকার জন্য? বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মুহূর্তে ইরানে স্থল অভিযান ওয়াশিংটনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। ২০০৩ সালে যখন ইরাকে সেনা পাঠিয়েছিল আমেরিকা তখন পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল। দীর্ঘ যুদ্ধ এবং নিষেধাজ্ঞায় দুর্বল হয়ে পড়েছিল ইরাক। কোমড় ভেঙে গিয়েছিল সে দেশের সেনাবাহিনীর। কিন্তু ইরানের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। ইরান অনেক বড় দেশ, জনসংখ্যা বেশি এবং তাদের সামরিক পরিকাঠামোও অনেক বেশি সংগঠিত এবং উন্নত। শুধু তা-ই নয়, ইরানের ভিতর প্রবেশ করে হামলা চালালে বহু 'ফ্রন্টে' যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে। ইরানের পাশে দাঁড়াবে লেবাননের হেজবুল্লা এবং ইয়েমেনের হাউথি-র মতো সসস্ত্র সংগঠনগুলি। অন্যদিকে, এধরনের যুদ্ধ প্রচুর ব্যয়বহুল। খরচ হতে পারে শত শত বিলিয়ান ডলার। এর জেরে চাপ পড়তে পারে আমেরিকার অর্থনীতিও।

প্রসঙ্গত, শান্তিচুক্তি ভেঙে হরমুজ প্রণালীতে নতুন করে হামলার অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। সোমবার এবং মঙ্গলবার তিনটি জাহাজে তারা গোলাবর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ। এর জেরেই ক্ষুব্ধ আমেরিকা ধারাবাহিক আক্রমণ শুরু করে ইরানে। ইরানি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সিরিক, কেশম, বন্দর আব্বাসের মতো এলাকায় হামলা চালায় মার্কিন সেনা। ওয়াশিংটনের দাবি, তারা ইরানের প্রায় ৮০টি স্থানে সামরিক অভিযান চালিয়েছে। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে নিশানা করে তেহরান। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের (আইআরজিসি) দাবি, কুয়েত এবং বাহিরিনে আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিগুলিতে ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তারা। নিশানা করা হয় মোট ৮৫টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা। শুধু তাই নয়, প্রত্যাঘাতে আমেরিকার পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর এবং কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Sangbad Pratidin