Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story

মহা কেলেঙ্কারি! লক্ষীর ভান্ডারে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে টাকা লুট পুরুষদের, 'সিট' গঠনের নির্দেশ

লকাতা ; ২ জুন : 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' নিয়ে এক বিস্ফোরক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আনলেন মূখ্যমন্ত্রী। মহিলাদের জন্য বরাদ্দ এই প্রকল্পের টাকা জালিয়াতি করে তুলে নিচ্ছেন একশ্রেণীর পুরুষরা! শুধু তাই নয়, এই চক্রের পেছনে একটি বড়সড় জালিয়াত চক্র কাজ করছে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্তের গতি বাড়াতে এবং বিশেষ তদন্তকারী দল বা 'সিট' (SIT) গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন মূখ্যমন্ত্রী।

মূখ্যমন্ত্রী বলেন, বহরমপুরে পর্দা ফাঁস, ভুয়ো অ্যাকাউন্টের হদিশতদন্তে জানা গেছে, বহরমপুর থানার ২০২৬ সালের ৮৪৩ নম্বর কেসের সূত্র ধরে এক বিশাল আর্থিক জালিয়াতির সন্ধান মিলেছে। প্রাথমিক তদন্তেই অন্তত ২২টি সম্পূর্ণ ভুয়ো বা 'ফলস' অ্যাকাউন্টের খোঁজ পাওয়া গেছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, মহিলাদের জন্য নির্দিষ্ট এই প্রকল্পের সুবিধাভোগী হিসেবে নাম নথিভুক্ত রয়েছে একাধিক পুরুষের, যাঁরা নিয়মিত এই সরকারি অর্থ পকেটে পুরছেন।
প্রশাসন সূত্রে এই জালিয়াতির একটি খতিয়ানও তুলে ধরা হয়েছে:
রাকিবুল সেখ:এই মূল অভিযুক্তের নামে সরাসরি একটি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট লিঙ্ক করা রয়েছে।
মুস্তাফিজুর এবং তাঁর স্ত্রী তুহিনা মিলে যৌথভাবে এমন ১৫টি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট চালাচ্ছেন।
তারিকুল রহমান: এই ব্যক্তির অধীনে আরও ৬টি ভুয়ো অ্যাকাউন্টের সন্ধান মিলেছে।
"অন্তত ৩০ লক্ষ ভুয়ো উপভোক্তা!" চাঞ্চল্যকর দাবি
বক্তব্য অনুযায়ী, এই জালিয়াতির জাল অত্যন্ত গভীরে ছড়ানো। প্রাথমিক অনুমান, রাজ্যজুড়ে প্রায় ৩০ লক্ষ ভুয়ো অ্যাকাউন্ট তৈরি করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা লুট করা হচ্ছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, বর্তমানে এই প্রকল্পে প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে দেওয়া হয়। সেই হিসেবে ৩০ লক্ষ ভুয়ো অ্যাকাউন্ট থাকলে প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকার সরকারি তহবিল সাধারণ মানুষের অজান্তেই লুট হয়ে যাচ্ছে, যা জনগণের করের টাকার এক বিরাট অপচয়।
অভিযোগের তির সরাসরি রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের দিকে। দাবি করা হয়েছে, হাজার হাজার তৃণমূল নেতা-যাঁরা কোনোভাবেই এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত হতে পারেন না-তাঁরা জালিয়াতির মাধ্যমে এই টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
ঘটনার গুরুত্ব বিচার করে রাজ্যের ডিজিপি-কে (DGP) অবিলম্বে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যেহেতু এখানে সরাসরি সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও বড় ধরনের আর্থিক প্রতারণার (Monetary Defalcation) বিষয় জড়িয়ে রয়েছে, তাই পুরো বিষয়টিকে কেবল সাধারণ প্রতারণা হিসেবে না দেখে 'মানি লন্ডারিং' (Money Laundering) আইনের আওতায় এনে তদন্ত করার জন্য নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। একদম তৃণমূল স্তর (Grassroot) থেকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই লুটেরা চক্রকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করার কথা জানান মূখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Shubhabori