Wednesday, 02 Jan, 6.16 am সব খবর

রাজ্য
১৯৭১ এর বিধায়ক সি.পি.আই(এম) নেতা কালিপদ বাউরির জীবনাবসান।

সুদীপ সেন, বাঁকুড়াঃ- দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন সি.পি.আই(এম) নেতা কম কালিপদ বাউরি। ক্রমশ সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। চিকিত্‍সায় বেশ ভালো সাড়া পেয়ে ছন্দে ফিরছিলেন। স্বাভাবিক হচ্ছিলো তার জীবনধারণ। এমন সময় হঠাত্‍ আজ ভোর ৫ টাক পর দ্রুত শরীর অবনতির দিকে যেতে থাকে। ম্যাসিভ হার্ট এট্যাক হয় তাঁর। শালতোড়া ব্লকের সামনে তেমন কোনো চিকিত্‍সকেন্দ্র নেই যেখানে এই অসুখের কোনো চিকিত্‍সা হবে, তাই বাধ্য হয়ে তাঁকে নিয়ে যেতে হয় ৫০ কিমি দূরের জেলার একমাত্র ভরসা বাঁকুড়া সম্মেলনী মেডিক্যাল কলেজে।

সেখানে সকাল ৮ টার পর তিনি মারা যান। বাঁকুড়ার শালতোড়ার ১৯৭১ সালের সি.পি.আই(এম) পার্টির বিধায়ক ছিলেন তিনি। সত্‍, বিনয়ী, মৃদুভাষী, পার্টির অক্লান্ত যোদ্ধা ও দক্ষ সংগঠক ছিলেন কালিপদ বাউরি। নিয়েছেন কৃষক সভা, সি.আই. টি.ইউ. সহ পার্টির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। ছোটো, থেকে বয়স্ক সকলের সাথেই ছিল মধুর সম্পর্ক। অসম্ভব ঠান্ডা মাথার রাজনীতিবিদ ছিলেন তিনি। তাই বাঁকুড়া জেলা অফিস থেকে শালতোড়ার শোকমিছিল করে সংবর্ধনা জানিয়ে তাঁকে আনা হয় তিলুড়ি দলীয় কার্যালয়ে, যেখানে অসংখ্য পার্টি কর্মী ও সাধারণ মানুড প্রিয় মানুষ ও নেতা কালিপদ বাউরিকে বিদায় জানায় ফুলে ও মালায়। তারপর ওই মিছিল তিলুড়ি গ্রাম ঘুরে তি লুড়ি কৃপাময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শিক্ষক, শিক্ষিকা বৃন্দ তাঁদের প্রাক্তন ম্যানেজিং কমিটির সেক্রেটারি কে শেষ শ্রদ্ধা জানান। এরপর তার শব দেহ নিয়ে যাওয়া হয় তাঁর বাড়ি বাঘুলিয়ায়। সেখানেই তাঁর শেষ কৃত্য সম্পন্ন হবে। তাঁর মরদেহের সাথে সবসময় ছিলেন সি.পি.আই.(এম) জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য সৌমেন্দু মুখার্জি ও দুই এরিয়া কমিটির সম্পাদক শুভঙ্কর লায়েক ও কার্তিক মন্ডল।

Dailyhunt
Disclaimer: This story is auto-aggregated by a computer program and has not been created or edited by Dailyhunt. Publisher: Sob Khobor
Top