Wednesday, 16 Oct, 3.48 pm সব খবর

হোম
জেলায় সেরা চমক ৫১ ফুটের কালী প্রতিমা।

সুভাষ চন্দ্র দাশ, ক্যানিংঃ—কালীপূজোয় বৃহত্‍ কালীপ্রতিমা গড়ে ধারাবাহিক ভাবে ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার ক্যানিং এর রায়বাঘিনীর যুবকবৃন্দ। চলতি বছর রায়বাঘিনী যুবক বৃন্দের কালীপূজো ষষ্ঠতম বর্ষে পদার্পণ করলো। প্রথম বর্ষে ১৭ফুট,দ্বিতীয়বর্ষে ৪৩ফুট,তৃতীয় বর্ষে ৪৭ফুট,চতুর্থ ও পঞ্চমবর্ষে ৫০ ফুট প্রতিমা গড়ে জেলা তথা রাজ্যবাসীর মন জয় করে নিয়েছিল।এমনকি গত ৩ বছর আগে কলকাতায় ৮৮ ফুট দুর্গাপ্রতিমা যারা দেখতে পাননি তাঁদের বেশীর ভাগ দর্শনার্থী ক্যানিং মহকুমার ৫০ ফুট কালী প্রতিমা দর্শন করতে হাজীর হয়েছিলেন।পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর ভূয়সী প্রশংসায় প্রশংশিত হয়ে রাজ্য সরকারের কাছ থেকে সম্মানপত্র ও পেয়েছিলেন।ষষ্ঠ বর্ষে রায়বাঘিনী যুবক সংঘের পূজো মন্ডপ তৈরী করছেন মেদনীরপূরের কলাকূশলী শিল্পীরা,সমগ্র মন্ডপটি তৈরী হচ্ছে হারিয়ে যাওয়া পুঁথি,কাঁটা চামচ দিয়ে। থীম প্রসঙ্গে পূজাকমিটির সম্পাদক রাজু সাঁফুই জানান - মায়ের অংশভূতা নারী সমাজের প্রতি অপমান,লাঞ্ছনা,অবহেলা,অবসানকল্পে এবং নারী জাতির তাঁদের বিভিন্ন ক্ষেত্রের সাফল্য ও অবদানের স্বীকৃতি দানের মাধ্যমে যথাযোগ্য সম্মান,মর্যাদা, ও সহানুভূতি জানানোর উদ্দেশ্যে সাম্য মৈত্রী,সৌভাতৃত্ব ও শান্তির বাণী ঘোষণার মধ্যদিয়ে আমাদের এই আরাধনা 'প্রতি মা,'র মাঝে প্রতিমা বিরাজে হায়রে মানুষ বঝলি না'।
পুজাকমিটির সভাপতি অর্ণব রায় বলেন 'মায়ের আরাধণা কে জাগ্রত করে তুললে রায়বাঘিনী হাইস্কুল মাঠে দশদিনের মহামানবের মিলনমেলা প্রাঙ্গনে থাকছে নানান আকর্ষণীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।সেই সাথে উল্লেখযোগ্য ভাবে অাড়ম্বরপূর্ণ মহামানবের মিলন মেলায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী মায়ের অংশভূতা নারী সমাজকে আর্থিক সঙ্গতিদানের সাথে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বয়ং সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যে বলিষ্ট পদক্ষেপ 'কন্যাশ্রী' প্রকল্প রূপায়ন করে বিশ্বদরবারে শ্রেষ্টত্বের সম্মান ও আদায় করেছেন। সেই 'কন্যাশ্রী'প্রকল্পকে ও মায়ের একটি বিশেষ রুপ হিসাবে তুলে ধরতে আমরা বদ্ধ পরিকর'।
গতবছর ৫০ ফুট প্রতিমা আর বর্তমানে ৫১ ফুট প্রতিমা করার কারণ হিসাবে পূজাকমিটির অন্যতম সদস্য রাজু সাঁফুই জানান বলেন 'এবছর আমাদের ইচ্ছা ছিল ৬১ ফুট প্রতিমা গড়ার,কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রবল বাধায় আমরা একটু পিছিয়ে এসে ৫১ ফুট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি'। দীর্ঘ প্রায় ৩ মাস ধরে ৩০ জন কর্মী ব্যস্ততার সাথে টানা কাজ করে চলেছে মন্ডপ সজ্জা সাজিয়ে তুলতে। পুজা কমিটি সুত্রে জানাগেছে কালীপূজা উপলক্ষে ১০দিনের মানব মেলার জন্য কঠোর নিরাপত্তা সহ মহিলা ও শিশুদের নিরাপত্তার জন্য মাঠের চারিদিকে নজরদারীর জন্য ১৫ টি সিসিটিভি ক্যামেরা থাকছে।
ক্যানিং মহকুমা তথা জেলায় এমন বৃহত্‍ কালীপূজো সমগ্র রাজ্যবাসীর নজর কাড়বে বলে মত প্রকাশ করেছেন রায়বাঘিনী যুবকবৃন্দ।
পূজা কমিটি সুত্রে জানা গেছে ৫১ ফুট কালী প্রতিমা পূজোর আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন বেলুড় মঠের মহারাজ।

Dailyhunt
Disclaimer: This story is auto-aggregated by a computer program and has not been created or edited by Dailyhunt. Publisher: Sob Khobor
Top