Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
নতুন তৃণমূলের স্বীকৃতির দাবিতে ৫০ বিধায়কের আবেদন, আগামীকাল স্পিকারের দ্বারস্থ হতে পারে ঋতব্রত শিবির

নতুন তৃণমূলের স্বীকৃতির দাবিতে ৫০ বিধায়কের আবেদন, আগামীকাল স্পিকারের দ্বারস্থ হতে পারে ঋতব্রত শিবির

নন্দ মুখোপাধ্যায় :: সংবাদ প্রবাহ :: কলকাতা :: মঙ্গলবার ২,জুন ::রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও তীব্র করে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের পথে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী তৃণমূল শিবির।

সূত্রের খবর, নতুন দল হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে প্রায় ৫০ জন বিধায়কের স্বাক্ষর-সহ একটি আবেদন আগামীকাল বিধানসভার স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া হবে।

স্পিকার রথীন্দ্র নাথ বসু

বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, তাঁরা এখন কার্যত বিধানসভার অন্যতম বৃহৎ শক্তি এবং সংখ্যার বিচারে বিরোধী শিবিরের অন্যান্য দলগুলির তুলনায় অনেক বেশি প্রতিনিধিত্ব করছেন।

সেই কারণেই পৃথক রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বীকৃতি এবং বিধানসভায় আলাদা আসন বিন্যাস, দলীয় কক্ষ ও অন্যান্য সাংবিধানিক সুযোগ-সুবিধা প্রদানের দাবি জানানো হবে স্পিকারের কাছে।

রাজনৈতিক সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তৃণমূলের অভ্যন্তরে চলা মতবিরোধ ক্রমশ প্রকাশ্যে এসেছে। দলের নীতি, সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত এবং নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে একাধিক বিধায়ক প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন।

সেই ক্ষোভের জেরেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক মঞ্চ গঠনের উদ্যোগ শুরু হয়।

আগামীকালের আবেদন জমা দেওয়ার কর্মসূচিকে ঘিরে বিধানসভা চত্বরে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করা হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।

বিদ্রোহী শিবিরের এক নেতা বলেন, "আমরা সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই এগোচ্ছি। বিধায়কদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন আমাদের সঙ্গে রয়েছে। তাই নতুন দল হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়ে আমরা আশাবাদী।"

অন্যদিকে মমতা শিবির অবশ্য এই দাবিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। দলের এক শীর্ষ নেতা বলেন, "দলবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত কয়েকজন বিধায়ক নিজেদের গুরুত্ব বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। তৃণমূল কংগ্রেস ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।"

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি সত্যিই ৫০ জন বিধায়ক নতুন দলের পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেন, তাহলে তা রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে অন্যতম বড় ভাঙনের নজির হয়ে দাঁড়াবে। একই সঙ্গে বিধানসভার অঙ্কেও বড় পরিবর্তন আসতে পারে।

এখন নজর আগামীকালের দিকে। স্পিকার আবেদন গ্রহণের পর কী সিদ্ধান্ত নেন এবং নতুন দলকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রশ্নে কী সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়, তার ওপরই নির্ভর করছে রাজ্যের রাজনীতির পরবর্তী অধ্যায়।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Sangbad Prabaha