Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story

বর্ষা দেরিতে এলে মোকাবিলায় জরুরি পরিকল্পনার নির্দেশ কৃষিমন্ত্রীর

য়াদিল্লি, ২৯ মে (হি.স.) : বর্ষার সম্ভাব্য দেরি এবং এল নিনোর মতো আবহাওয়াজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রাজ্যগুলিকে জরুরি ভিত্তিতে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিল কেন্দ্র। শুক্রবার পুসায় সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান জানান, রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে সমন্বয় রেখে একটি বিস্তৃত জরুরি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, কৃষকদের জন্য কম সময়ে ফলনশীল বীজ এবং প্রয়োজনীয় কৃষি সহায়তা সময়মতো পৌঁছে দেওয়ার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত বীজ মজুত থাকলেও অনেক সময় তা সঠিক সময়ে কৃষকদের হাতে পৌঁছয় না বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। রাজ্যগুলিকে ব্রিডার সিড-সহ প্রয়োজনীয় বীজ দ্রুত সংগ্রহ ও বণ্টন ব্যবস্থা শক্তিশালী করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, নিম্নমানের বীজ কোনওভাবেই বাজারে বিক্রি হতে দেওয়া যাবে না। এর জন্য কড়া নজরদারি এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতীয় স্তরে বীজ ভান্ডার গড়ে তোলা হয়েছে, যাতে প্রয়োজন পড়লে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বীজ পৌঁছে দেওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, ১ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত "খেত বাঁচাও অভিযান" চলবে। এই কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধি, কৃষি বিজ্ঞানী, আধিকারিক ও কৃষকদের যুক্ত করে গ্রাম স্তরে সচেতনতা বাড়ানো হবে। মাটির স্বাস্থ্য, সুষম সার ব্যবহার, উন্নত বীজ, কীটনাশকের সঠিক প্রয়োগ, কিষান ক্রেডিট কার্ড, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে সরাসরি কৃষকদের সচেতন করা হবে।

ভূমিহীন কৃষকদের জন্যও নতুন প্রকল্প আনার কথা জানান শিবরাজ সিং চৌহান। যাঁরা অন্যের জমিতে কাজ করেন, তাঁদের সংখ্যা যথেষ্ট বেশি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ফসল বিমা প্রকল্প প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সবচেয়ে জরুরি। ব্যাঙ্ক, বিমা সংস্থা ও রাজ্য সরকারের দায়িত্ব নির্দিষ্ট করার উপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, প্রিমিয়ামের অর্থ সময়মতো সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে পৌঁছনো, ক্ষয়ক্ষতির সঠিক মূল্যায়ন এবং ক্ষতিপূরণ দ্রুত প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। অযথা দেরি হলে দায় নির্ধারণ করা হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

এদিন তিনি ফল ও সবজি উৎপাদনে ভারতের বিপুল সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন। শুধু উৎপাদন বাড়ানো নয়, আন্তর্জাতিক মানের রফতানিযোগ্য পণ্য উৎপাদনের উপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি জটিল প্রক্রিয়ার কারণে অনেক সরকারি প্রকল্পের সুবিধা কৃষকদের কাছে পৌঁছতে দেরি হয় বলেও মন্তব্য করেন।

ইউরিয়ার ব্যবহার নিয়ে কৃষকদের সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, প্রাকৃতিক কৃষির দিকে এগোতে হবে। বর্তমানে দেশে প্রায় ৮ লক্ষ হেক্টর জমিতে ২০ লক্ষেরও বেশি কৃষক প্রাকৃতিক কৃষিকাজ করছেন বলে জানান তিনি।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Syandan Patrika