Dailyhunt
'অভিষেকই গ্রেফতার হবেন', চন্দ্রনাথ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি ভাইপোকে বিঁধলেন অর্জুন সিং!

'অভিষেকই গ্রেফতার হবেন', চন্দ্রনাথ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি ভাইপোকে বিঁধলেন অর্জুন সিং!

Tech Infomatrix 1 week ago

ধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডে এবার সরাসরি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম জড়ালেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। বারাকপুরের এই হেভিওয়েট নেতার দাবি, এটি নিছক কোনো ভোট পরবর্তী হিংসা নয়, বরং শার্পশ্যুটার লাগিয়ে অত্যন্ত সুপরিকল্পিত 'ঠান্ডা মাথার খুন'।

তাঁর নিশানায় এবার সরাসরি উঠে এসেছে শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্ব ও একদল প্রভাবশালী পুলিশ আধিকারিকের নাম।

শার্পশ্যুটার ও গ্লক ৪৭এক্স: অর্জুনের বিস্ফোরক অভিযোগ
সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অর্জুন সিং দাবি করেন, এই খুনের ধরণ বলে দিচ্ছে এটি সাধারণ কোনো অপরাধীদের কাজ হতে পারে না। তাঁর কথায়, "এটা পরিকল্পিত খুন। এজেন্সির দ্বারা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শার্পশ্যুটারের কাজ এটি।" এখানেই থেমে না থেকে তিনি সরাসরি তোপ দাগেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের দিকে। অর্জুনের অভিযোগ, "অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ কিছু পুলিশ আধিকারিক আছেন যারা এই ধরণের কাজ করেন। সরকার গড়তে না পারার হতাশা থেকেই শার্পশ্যুটার ভাড়া করে চন্দ্রনাথকে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছে।"

অতীতের প্রসঙ্গ টেনে কড়া আক্রমণ
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পুরনো উদাহরণ টেনে অর্জুন সিং আরও বলেন, "একবার অভিষেককে মঞ্চে যে চড় মেরেছিল, তাকেও সাত বছর পর ট্রাক পিষে মেরে দেওয়া হয়। কিষেনজিকে সামনে রেখে ভোট জিতে পরে তাঁকেও খতম করা হয়েছিল। চন্দ্রনাথের ঘটনাও তেমনই। নিরপেক্ষ তদন্ত হলে অভিষেকই গ্রেফতার হবেন।"

পেশাদার খুনের সপক্ষে যুক্তি?
পুলিশি তদন্ত ও প্রাথমিক ফরেন্সিক রিপোর্টে অর্জুনের এই 'শার্পশ্যুটার' তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, হামলায় 'গ্লক ৪৭এক্স' (Glock 47X) এর মতো অত্যাধুনিক পিস্তল ব্যবহার করা হয়েছে, যা সাধারণত পেশাদার খুনিদের হাতেই থাকে। ৪টি মোটরবাইকে আসা হেলমেটধারী দুষ্কৃতীরা যে নিখুঁত নিশানায় ১০ রাউন্ড গুলি চালিয়েছে, তাতে পেশাদারিত্বের ছাপ স্পষ্ট।

উত্তপ্ত বঙ্গ রাজনীতি
বুধবার রাতে দোহরিয়ার সেই রক্তাক্ত ঘটনার পর থেকেই শুভেন্দু অধিকারী ও সুকান্ত মজুমদাররা তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলেছিলেন। কিন্তু অর্জুন সিং সরাসরি অভিষেককে দায়ী করার পর সংঘাতের মাত্রা চরমে পৌঁছেছে। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই সমস্ত অভিযোগকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও ‘পাগলের প্রলাপ’ বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ভাড়াটে খুনিদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশের একাধিক বিশেষ দল। লোকসভা নির্বাচন পরবর্তী এই হাই-ভোল্টেজ মামলার জল এখন কতদূর গড়ায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Tech Infomatrix