Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
"হাসিনার ভার্চুয়াল ভাষণ ঠেকাতে 'কাকুতি-মিনতি' ঢাকার! মোদী সরকারের কড়া জবাবে বড় মোড়"

"হাসিনার ভার্চুয়াল ভাষণ ঠেকাতে 'কাকুতি-মিনতি' ঢাকার! মোদী সরকারের কড়া জবাবে বড় মোড়"

Tech Infomatrix 1 week ago

২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট। গণ-আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়েছিলেন সে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেখতে দেখতে কেটে গিয়েছে দুটি বছর। আর আজ, ২০২৬ সালের ৫ অগাস্ট-নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে দীর্ঘ দুই বছর পর প্রথমবার প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চলেছেন আওয়ামী লিগ সুপ্রিমো।

দক্ষিণ এশিয়ার ফরেন করেসপন্ডেন্টস' ক্লাবের উদ্যোগে নয়াদিল্লির মথুরা রোডে অবস্থিত স্যার মার্ক টালি অডিটোরিয়ামে এই হাই-প্রোফাইল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং দেশে ফেরার প্রস্তাবিত রোডম্যাপ নিয়ে বড় বার্তা দিতে পারেন বলে জল্পনা তুঙ্গে।

হাসিনার ভাষণ ঘিরে ঢাকার তীব্র আপত্তি ও আর্জি

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর এই ভার্চুয়াল ভাষণ ঘিরে ইতিমধ্যেই চরম অস্বস্তিতে পড়েছে বাংলাদেশের বর্তমান তারেক রহমান সরকার। ঢাকার তরফে কড়া ভাষায় এর প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। শুধু দেশের অভ্যন্তরেই নয়, বাংলাদেশের কোনও প্রচারমাধ্যম যাতে হাসিনার এই ভাষণ সম্প্রচার না করে, তার জন্য স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

পাশাপাশি, সোমবারই ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন জানিয়েছে ঢাকা। বাংলাদেশ সরকারের তরফে অনুরোধ করা হয়, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লিগের সঙ্গে যুক্ত অন্য কাউকে যেন ভারতের মাটি ব্যবহার করে রাজনৈতিক ভাষণ বা দেশের স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করতে পারে এমন কার্যকলাপে অংশ নিতে না দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গণহত্যার মামলায় ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত এক পলাতক নেত্রীর এই ভার্চুয়াল বক্তৃতা ভারত সরকার সমর্থন করে কি না, সে বিষয়েও দিল্লির অবস্থান জানতে চায় বাংলাদেশ। সোমবার বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এই বিষয়ে ভারতের সরাসরি অবস্থান স্পষ্ট করার দাবি তোলেন।

ঢাকার আবেদন খারিজ করে দিল ভারত

বাংলাদেশের এই সমস্ত চাপ ও আবেদনকে কার্যত পাত্তাই দিল না মোদী সরকার। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, যে অনুষ্ঠানের কথা বলা হচ্ছে তা সম্পূর্ণভাবে একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের উদ্যোগে আয়োজিত হচ্ছে। এর সঙ্গে ভারত সরকারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই। সেই মঞ্চে বক্তারা যে মতামতই প্রকাশ করুন না কেন, ভারত সরকার সেটিকে কোনওভাবেই ‘এনডোর্স’ করছে না। দিল্লির এই স্পষ্ট বার্তায় কূটনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।

গত দু’বছর ধরে সম্পূর্ণ লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকা শেখ হাসিনা আজ বুধবার কী বার্তা দেন এবং তাঁর এই প্রত্যাবর্তন বা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রোডম্যাপের ঘোষণা বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কী প্রভাব ফেলে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা উপমহল।

The post "হাসিনার ভার্চুয়াল ভাষণ ঠেকাতে 'কাকুতি-মিনতি' ঢাকার! মোদী সরকারের কড়া জবাবে বড় মোড়" first appeared on News.

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Tech Infomatrix