Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
কানাডিয়ান বধূর চোখে পাকিস্তানি শ্বশুরবাড়ি! 'কালচার শক' খেয়ে কী বললেন ক্যাসি?

কানাডিয়ান বধূর চোখে পাকিস্তানি শ্বশুরবাড়ি! 'কালচার শক' খেয়ে কী বললেন ক্যাসি?

Tech Infomatrix 3 days ago

ভালোবাসার কোনো ভৌগোলিক সীমানা নেই। আর সেই ভালোবাসার টানেই কানাডিয়ান কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ক্যাসি যখন একজন পাকিস্তানি যুবককে বিয়ে করে শ্বশুরবাড়িতে পা রাখলেন, তখন তার জীবনের নতুন এক অধ্যায় শুরু হলো। তবে এই নতুন জীবনে পা দিতেই তাকে এক বিশাল 'কালচার শক' বা সাংস্কৃতিক ধাক্কার মোকাবিলা করতে হয়েছে।

ক্যাসির ভাষায়-সেই অভিজ্ঞতা এতটাই চমকপ্রদ যে তা তাকে রীতিমতো অবাক করে দিয়েছিল।

আত্মীয়তার নাম-বিভ্রাট:
ক্যাসির কাছে সবচেয়ে বড় গোলকধাঁধা ছিল দক্ষিণ এশীয় আত্মীয়দের সম্পর্কের নাম। কানাডায় যেখানে চাচা, মামা বা খালাদের সাধারণ সম্বোধনই যথেষ্ট, সেখানে পাকিস্তানে প্রতিটি সম্পর্কের আলাদা আলাদা নাম। ক্যাসির কথায়, “বাবার দিকের মা আর মায়ের দিকের মাকে একই নামে ডাকা যাবে না!” এই ভিন্ন ভিন্ন নামের সমাহার তাকে শুরুতে বেশ বিভ্রান্ত করেছিল।

হোয়াটসঅ্যাপের সাথে সখ্যতা:
বিয়ের আগে যে ক্যাসি জীবনে কখনো হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেননি, আজ সেই অ্যাপটিই তার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি মজা করে বলেন, শুরুতে বিষয়টি অদ্ভুত লাগলেও, এখন শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সাথে যোগাযোগের জন্য হোয়াটসঅ্যাপই তার একমাত্র ভরসা।

আতিথেয়তা নাকি খাদ্য মেলা?
কানাডীয় আতিথেয়তার সাথে পাকিস্তানের মিল খুঁজে পাওয়া ভার। ক্যাসি জানান, কানাডায় অতিথি আপ্যায়নের জন্য সামান্য চিজ বা বিস্কুটই যথেষ্ট। কিন্তু দক্ষিণ এশীয় বাড়িতে ভোরবেলা না জানিয়ে গেলেও তারা অন্তত ১৭ পদের খাবারের আয়োজন নিয়ে প্রস্তুত থাকে। ক্যাসির ভাষায়, এটি যেন কোনো আতিথেয়তা নয়, আস্ত একটি খাদ্য মেলা!

হোটেল বুকিং যেন এক ‘অপরাধ’:
ক্যাসির কাছে সবচেয়ে মজার যে বিষয়টি লেগেছে, তা হলো আত্মীয়দের বাড়িতে থাকার সংস্কৃতি। তার শ্বশুরবাড়িতে অন্য কোথাও ভ্রমণে গিয়ে হোটেল বুক করাকে যেন এক ধরণের ‘পাপ’ বা অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। আত্মীয়দের বাড়িতে না থেকে হোটেলে ওঠার কথা ভাবলে বাড়ির সবাই রেগে যান।

খবর বাতাসের আগে ছড়ায়!
ক্যাসি লক্ষ্য করেছেন, পাকিস্তানি সংস্কৃতিতে খবর খুব দ্রুত ছড়ায়। তার সন্দেহের তীর হোয়াটসঅ্যাপের দিকেই। যেকোনো পারিবারিক বিষয় চোখের পলকে পাড়ার সবার কাছে পৌঁছে যায়, যা তার কাছে এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতার মতো।

ভালোবাসায় মানিয়ে নেওয়া:
এত সব অবাক করা অভিজ্ঞতার পরেও ক্যাসি বিচলিত নন। বরং সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি সংস্কৃতিকে গ্রহণ করে এবং তার সাথে নিজেকে মানিয়ে নিয়ে তিনি বেশ আনন্দিত। ক্যাসির মতে, এই পার্থক্যগুলোই জীবনকে আরও বর্ণিল ও সুন্দর করে তুলেছে।

The post কানাডিয়ান বধূর চোখে পাকিস্তানি শ্বশুরবাড়ি! 'কালচার শক' খেয়ে কী বললেন ক্যাসি? first appeared on News.

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Tech Infomatrix