Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
মিজোরামে ইডি-র বড়সড় অভিযান! মিয়ানমার থেকে আসা অবৈধ সুপারি পাচারের পর্দাফাঁস

মিজোরামে ইডি-র বড়সড় অভিযান! মিয়ানমার থেকে আসা অবৈধ সুপারি পাচারের পর্দাফাঁস

Tech Infomatrix 4 months ago

ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে এক বড়সড় চোরাচালান চক্রের হদিস পেল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। বৃহস্পতিবার মিজোরামের চাম্ফাই জেলায় একটি সুসংগঠিত অবৈধ বর্মী সুপারি পাচারকারী চক্রকে রুখতে নয়টি ভিন্ন স্থানে একযোগে অভিযান চালিয়েছে ইডির তদন্তকারী দল।

কীভাবে চলত এই চোরাচালান?
প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

মিয়ানমার থেকে নদীপথে (টিউ নদী) অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ শুকনো সুপারি ভারতে আনা হতো। এরপর সেই সুপারি স্থানীয় গুদামগুলোতে মজুত করা হতো। পাচারকারীরা জাল ই-ওয়ে বিল এবং ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে সেগুলোকে স্থানীয় পণ্য হিসেবে দাবি করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দিত। ইডির দাবি, এই অবৈধ ব্যবসার মাধ্যমে তারা শত শত কোটি টাকা হাতিয়েছে এবং সেই কালো টাকাকে সাদা করার সবরকম প্রচেষ্টাও চালিয়েছে।

তদন্তে যা যা উঠে এসেছে:

উপজাতীয় পরিচয়ের অপব্যবহার: অভিযুক্তরা আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্যের সুযোগ নিতে নিজেদের স্থানীয় উপজাতীয় পরিচয়কে ব্যবহার করে বৈধ ব্যবসায়ী হিসেবে জাহির করত।

শুল্ক বিভাগকে বিভ্রান্তি: ইডির তদন্তে জানা গেছে, যখন কোনো চালান শুল্ক বিভাগ জব্দ করত, তখন পাচারকারীরা পুরনো ও সম্পর্কহীন আমদানি নথি ব্যবহার করে সেই পণ্যগুলো ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করত।

প্রমাণের খোঁজ: ইডি আজ স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং চক্রের সাথে যুক্ত অভিযুক্তদের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালায়। সংস্থাটির দাবি, অভিযানের পর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও ডিজিটাল প্রমাণ তাদের হাতে এসেছে, যা থেকে এই নেটওয়ার্কের আরও বড় তথ্য বেরিয়ে আসবে।

দেশের অর্থনীতি এবং সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য এই ধরনের চোরাচালান চক্র অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ইডির এই অভিযান সেই নেটওয়ার্কের মূলে আঘাত করবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। বর্তমানে তদন্তের কাজ চলছে এবং এই চক্রের সঙ্গে কারা কারা যুক্ত রয়েছে, তাদের চিহ্নিত করতে নতুন করে জেরা শুরু করেছেন তদন্তকারীরা।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Tech Infomatrix