Dailyhunt
সেতু থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্র, সব ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়ার ছক! আমেরিকার নিশানায় এখন তেহরান?

সেতু থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্র, সব ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়ার ছক! আমেরিকার নিশানায় এখন তেহরান?

Tech Infomatrix 2 weeks ago

ধ্যপ্রাচ্যের আকাশজুড়ে যুদ্ধের কালো মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে। ইরান ও আমেরিকার মধ্যকার দীর্ঘদিনের স্নায়ুযুদ্ধ এবার চরম সংঘাতের রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক এক বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে তীব্র উত্তেজনা। হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক দীর্ঘ সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আমেরিকা প্রস্তাবিত চুক্তিতে ইরান সই না করলে চরম সামরিক পদক্ষেপ নিতে পিছপা হবে না ওয়াশিংটন।

ট্রাম্পের দাবি, তেহরান যদি তাঁদের দেওয়া শর্ত মেনে যুদ্ধবিরতির পথে না হাঁটে, তবে খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে ইরানকে অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, এক রাতের মধ্যেই দেশটির গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। বিশেষ করে ইরানের সেতু এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাকে টার্গেট করার পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই সেরে ফেলেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ট্রাম্পের কথায়, “আমরা যুদ্ধ চাই না, তবে মার্কিন স্বার্থ বিঘ্নিত হলে ইরানকে এর চরম মূল্য দিতে হবে।”

মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই হুঁশিয়ারির মূলে রয়েছে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালী’। এই জলপথ দিয়ে বিশ্বের তেলের একটি বড় অংশ পরিবহণ করা হয়। ট্রাম্পের স্পষ্ট শর্ত-হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলসহ সমস্ত পণ্য চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে হবে। মার্কিন প্রশাসনের দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার মাত্র ৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানজুড়ে বড়সড় হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, “চাইলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই একটি দেশের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া যায়, তবে আমরা চাই একটি গ্রহণযোগ্য চুক্তি।”

এদিকে, মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিবও ট্রাম্পের সুরেই সুর মিলিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে হামলার মাত্রা ও তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। আমেরিকার দাবি, ইরানের সাধারণ মানুষ বর্তমান শাসনে অতিষ্ঠ এবং তাঁরা পরিবর্তন চান। তবে সম্ভাব্য হামলায় সাধারণ মানুষের প্রাণহানি বা মানবিক বিপর্যয়ের যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে বিশেষ বিচলিত নন ট্রাম্প। তাঁর লক্ষ্য স্পষ্ট-আমেরিকার শর্ত মেনে ইরানকে হয় সন্ধি করতে হবে, নয়তো ভয়াবহ সামরিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হবে। ট্রাম্পের এই কড়া অবস্থানের পর বিশ্ববাজার ও ভূ-রাজনীতিতে রীতিমতো কম্পন শুরু হয়েছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Tech Infomatrix