Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
উচ্চশিক্ষায় আর বাধা নয় আর্থিক অনটন! স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপে কত টাকা পাবেন? জানুন বিস্তারিত

উচ্চশিক্ষায় আর বাধা নয় আর্থিক অনটন! স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপে কত টাকা পাবেন? জানুন বিস্তারিত

Tech Infomatrix 1 week ago

র্থিকভাবে দুর্বল অথচ মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণ করতে পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয় 'স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট কাম মিন্স স্কলারশিপ' (SVMCM)। বিভিন্ন রাজনৈতিক পালাবদল ঘটলেও, এই জনকল্যাণমুখী বৃত্তি প্রকল্পটি আজও রাজ্যের হাজার হাজার পড়ুয়ার ভরসা। ২০২৬ সালে নতুন সরকার গঠনের পরেও এই স্কলারশিপ প্রকল্প আগের মতোই গুরুত্বের সঙ্গে বজায় রাখা হয়েছে।

আবেদনের যোগ্যতা কী?

নম্বর: আবেদনকারীকে তাঁর পূর্ববর্তী পরীক্ষায় (যেমন মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক) ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে।

পারিবারিক আয়: আবেদনকারীর পরিবারের বার্ষিক আয় ২.৫ লক্ষ টাকার কম হতে হবে।

অনলাইন আবেদন: সম্পূর্ণ আবেদন প্রক্রিয়াটি অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।

বৃত্তির আর্থিক পরিমাণ (কোর্স অনুযায়ী):
পড়ুয়াদের কোর্সের ধরন অনুযায়ী মাসিক আর্থিক সহায়তার পরিমাণ আলাদা হয়:

উচ্চ মাধ্যমিক ও ডিএলএড: মাসিক ১,০০০ টাকা।

পলিটেকনিক: মাসিক ১,৫০০ টাকা।

স্নাতক (কলা ও বাণিজ্য): বার্ষিক ১২,০০০ টাকা (মাসিক ১,০০০ টাকা)।

স্নাতক (বিজ্ঞান): বার্ষিক ১৮,০০০ টাকা (মাসিক ১,৫০০ টাকা)।

স্নাতকোত্তর (কলা ও বাণিজ্য): মাসিক ২,০০০ টাকা।

স্নাতকোত্তর (বিজ্ঞান): মাসিক ২,৫০০ টাকা।

পেশাদারী কোর্স (ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিক্যাল, নার্সিং, বিএড): কোর্স অনুযায়ী আর্থিক সহায়তার পরিমাণ আরও বেশি। বিশেষ করে মেডিক্যাল পড়ুয়ারা মাসে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত সহায়তা পেতে পারেন।

কী কী নথি প্রয়োজন?
আবেদন করার সময় পড়ুয়াদের প্রয়োজনীয় নথিগুলো হাতের কাছে রাখতে হবে:
১. মাধ্যমিক বা সমতুল্য পরীক্ষার মার্কশিট।
২. সর্বশেষ পরীক্ষার মার্কশিট।
৩. বর্তমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার রসিদ।
৪. আয়ের শংসাপত্র।
৫. ব্যাঙ্কের পাসবুকের প্রথম পাতার কপি (যেখানে অ্যাকাউন্ট নম্বর ও আইএফএসসি কোড স্পষ্ট)।
৬. কার্যকর মোবাইল নম্বর ও ই-মেল আইডি।

আবেদন করবেন যেভাবে:
ইচ্ছুক যোগ্য পড়ুয়ারা স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট কাম মিন্স স্কলারশিপের অফিসিয়াল পোর্টালে (svmcm.wbhed.gov.in) গিয়ে অনলাইনে ফর্ম ফিল-আপ করতে পারবেন। সময়মতো নথি আপলোড করে আবেদন জমা দিলে ভেরিফিকেশন শেষে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বৃত্তির টাকা পৌঁছে যাবে।

মেধাবী কিন্তু আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পড়ুয়াদের জন্য এই স্কলারশিপ শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, বরং সাফল্যের পথে এগিয়ে যাওয়ার এক বড় অনুপ্রেরণা।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Tech Infomatrix