Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
৫২ হাজার কোটির অস্ত্র কেনায় সিলমোহর কেন্দ্রের, দেশের সুরক্ষায় আসছে 'আকাশ তরঙ্গ'-কামিকাজি ড্রোন

৫২ হাজার কোটির অস্ত্র কেনায় সিলমোহর কেন্দ্রের, দেশের সুরক্ষায় আসছে 'আকাশ তরঙ্গ'-কামিকাজি ড্রোন

THE WALL 2 weeks ago

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সীমান্ত পেরিয়ে শত্রু দেশের আগ্রাসন রুখতে এবং ভারতীয় বাহিনীর যুদ্ধপ্রস্তুতি (Combat Readiness) এক ধাক্কায় বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। শুক্রবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর নেতৃত্বে 'ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল' (DAC)-এর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে প্রায় ৫২ হাজার কোটি টাকার প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার প্রস্তাবে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় সেনা (Army), নৌসেনা (Navy) এবং বায়ুসেনা (Air Force), তিনটি শাখার জন্যই এই বিপুল অঙ্কের আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কেনার সবুজ সংকেত মিলেছে।

ভারতীয় সেনার জন্য 'আকাশ তরঙ্গ' ও কামিকাজি ড্রোন

শত্রুপক্ষের ড্রোন হামলা রুখতে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে পদাতিক বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করতে ভারতীয় সেনার জন্য একগুচ্ছ আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, আকাশ তরঙ্গ (AKASH TARANG)। একটি অ্যান্টি-ইউএভি (Anti-UAV) ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম। শত্রু দেশের ড্রোন বা চালকহীন বিমানের হামলা থেকে ভারতীয় সেনার বিভিন্ন ফর্মেশনকে নিশ্ছিদ্র সুরক্ষা দেবে এই প্রযুক্তি।

এছাড়াও রয়েছে, জেট-বেসড কামিকাজি ড্রোন (Kamikaze Drone)। সেনার শক্তি বাড়াতে আসছে এই অত্যাধুনিক জেট চালিত কামিকাজি ড্রোন বা 'আত্মঘাতী' ড্রোন। এটি নিখুঁত নিশানায় শত্রুর ওপর আঘাত হানতে পারে। কম খরচে শত্রুর ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেমকে ধ্বংস করতে এর জুড়ি মেলা ভার। এর সঙ্গে রয়েছে, অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইল ও এয়ার ডিফেন্স। এই ব্যবস্থা হল পোর্টেবল অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল (MPATGM), মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (MRSAM) এবং খুব কম রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম (V-SHORADS)। যা আকাশপথে আসা যে কোনও ধরণের হামলা রুখে দিতে পারবে। সব শেষে রয়েছে ট্যাঙ্কের সুরক্ষা কবচ। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্কের সুরক্ষায় যুক্ত হচ্ছে 'অ্যাক্টিভ প্রোটেকশন সিস্টেম'। এর ফলে যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুর গোলার মুখেও ট্যাঙ্কের টিকে থাকার ক্ষমতা অনেক বেড়ে যাবে।

নৌসেনার জন্য 'গ্রাউন্ড মাইন' ও ড্রোন ব্যবস্থা

সমুদ্রে শত্রু দেশের যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিনের অবাধ যাতায়াত রুখে দিতে ভারতীয় নৌসেনার অস্ত্রভাণ্ডারকেও সাজানো হচ্ছে নতুন করে। নৌসেনার জন্য অনুমোদন মিলেছে 'মাল্টি ইনফ্লুয়েন্স গ্রাউন্ড মাইন' (MIGM) এবং 'নেভাল শিপবোর্ন আনম্যান্ড এরিয়াল সিস্টেম' (NSUAS)-এর। এই ড্রোন ব্যবস্থা অত্যাধুনিক সেন্সরের মাধ্যমে মাঝসমুদ্রে নজরদারি ও শত্রুর গতিবিধির আগাম খবর পেতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি, নৌসেনার যুদ্ধজাহাজের ইলেকট্রিক প্রোপালশন সিস্টেম পরীক্ষার জন্য একটি 'ল্যান্ড বেসড টেস্টিং ফেসিলিটি' (LBTF) তৈরির প্রস্তাবেও সিলমোহর দেওয়া হয়েছে।

বায়ুসেনার আকাশে মহাজাগতিক নজরদারি: আসছে 'হ্যাপস'

ভারতীয় বায়ুসেনার নজরদারি ক্ষমতাকে এক অন্য স্তরে নিয়ে যেতে আনা হচ্ছে 'ফিক্সড-উইং বেসড হাই অল্টিটিউড সিউডো স্যাটেলাইট' (FW-HAPS)। এটি মূলত উপগ্রহ বা স্যাটেলাইটের মত কাজ করবে। আকাশের অনেক উচ্চতা থেকে একটানা গোয়েন্দা নজরদারি (Intelligence, Surveillance & Reconnaissance), রিমোট সেন্সিং এবং টেলিকমিউনিকেশনের কাজ চালাবে এই প্রযুক্তি। এর সাহায্যে সীমান্তে শত্রুর সামান্যতম নড়াচড়াও চোখ এড়াবে না।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি, সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই সমস্ত আধুনিক অস্ত্র ও সিস্টেম ভারতীয় সামরিক বাহিনীকে আরও বেশি আত্মনির্ভর করে তুলবে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: The Wall