Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story

AC buying guide: বাড়িতে নতুন এসি কেনার কথা ভাবছেন? পকেট বাঁচাতে এই ৭টি বিষয় মাথায় রাখুন

THE WALL 3 weeks ago

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গরমের দাপটে নাভিশ্বাস উঠছে সাধারণ মানুষের। দিল্লি, নয়ডা বা লখনউয়ের মতো কলকাতা শহরে তাপমাত্রা ৪৪-৪৫ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যাচ্ছে। কিছুদিন পর এই পরিস্থিতিতে ফ্যান বা কুলারে আর কাজ হবে না। অনেকেই তাই বাড়ির জন্য দেড় টনের এসি কেনার পরিকল্পনা করছেন।

শোরুমে যাওয়ার আগে বা অনলাইনে অর্ডার দেওয়ার আগে কিছু টেকনিক্যাল বিষয় জেনে রাখা জরুরি, নাহলে এসির হাওয়ায় আরাম হলেও ইলেকট্রিক বিলের ছ্যাঁকায় পকেট পুড়বে (1.5 Ton AC Buying Guide)।

১. ঘরের মাপ বুঝে এসি বাছুন

দেড় টনের এসি সাধারণ ১২০ থেকে ১৮০ স্কোয়ার ফুট আয়তনের ঘরের জন্য আদর্শ। আপনার শোওয়ার ঘর বা বসার ঘর যদি এই মাপের হয়, তবেই দেড় টন কিনুন। ঘরের তুলনায় এসি ছোট হলে ঘর ঠান্ডা হবে না, আবার বড় হলে অকারণ বিদ্যুৎ খরচ বাড়বে।

২. ইনভার্টার নাকি নন-ইনভার্টার?

আধুনিক যুগে ইনভার্টার এসি হওয়াই শ্রেয়। এটি ঘরের প্রয়োজন অনুযায়ী কম্প্রেসারের গতি নিয়ন্ত্রণ করে, যা বিদ্যুতের সাশ্রয় করে এবং ঘরের তাপমাত্রা স্থির রাখে। অন্যদিকে নন-ইনভার্টার এসি সবসময় ফুল পাওয়ারে চলে, ফলে বিল বেশি আসে। রোজ দীর্ঘক্ষণ এসি চালালে ইনভার্টার এসি-ই লাভজনক।

৩. এনার্জি রেটিং বা স্টার মার্ক

বিইই (BEE) স্টার রেটিং অবশ্যই চেক করুন। ৩-স্টার এসির চেয়ে ৫-স্টার এসি বিদ্যুৎ খরচ অনেক কম করে। শুরুতে ৫-স্টার এসির দাম একটু বেশি মনে হলেও, মাসের শেষে ইলেকট্রিক বিলে সেই টাকা সুদে-আসলে উশুল হয়ে যায়।

৪. কপার কন্ডেন্সার কয়েল কেন জরুরি?

এসি কেনার সময় দেখে নিন তাতে যেন ১০০ শতাংশ কপার কন্ডেন্সার কয়েল থাকে। অ্যালুমিনিয়াম কয়েলের চেয়ে কপার কয়েল দ্রুত ঘর ঠান্ডা করে, স্থায়ী হয় অনেক দিন এবং খারাপ হলে মেরামত করাও সহজ। নামী ব্র্যান্ডগুলো এখন কপার কয়েলের ওপরই জোর দিচ্ছে।

৫. নজর থাকুক বিশেষ ফিচারগুলোতে

শুধু ঠান্ডা হওয়া নয়, আধুনিক এসিতে কিছু বাড়তি সুবিধা থাকা দরকার।

টার্বো কুলিং: যা নিমিষেই ঘর ঠান্ডা করে।

স্লিপ মোড: রাতে ঘুমানোর সময় শরীরের তাপমাত্রা অনুযায়ী কুলিং অ্যাডজাস্ট করে।

ডি-হিউমিডিফায়ার: বর্ষাকালের গুমোট ভাব বা আর্দ্রতা কমাতে কাজে দেয়।

এয়ার ফিল্টার (PM 2.5): যা ঘরের ধুলোবালি ও দূষণমুক্ত বাতাস নিশ্চিত করে।

৬. সার্ভিসিং ও ওয়ারেন্টি

অল্প দামে অচেনা ব্র্যান্ডের এসি কিনে পরে পস্তানোর চেয়ে নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ড বাছা ভাল। কেনার আগে দেখে নিন আপনার এলাকায় ওই কোম্পানির সার্ভিস সেন্টার আছে কি না। কারণ এসি এমন একটি যন্ত্র যার নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন। ইনস্টলেশন চার্জ কত এবং কম্প্রেসারের ওপর কত বছরের ওয়ারেন্টি আছে, তাও জেনে নিন।

৭. স্মার্ট ফিচার ও ওয়াই-ফাই

অফিস থেকে ফেরার পথেই কি ঘর ঠান্ডা রাখতে চান? তবে স্মার্ট এসি বেছে নিতে পারেন। ফোন থেকে অ্যাপের মাধ্যমে বা গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট/অ্যালেক্সার সাহায্যে এখন এসি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এটি অত্যাবশ্যক না হলেও লাইফস্টাইলে একটা আধুনিক টাচ এনে দেয়।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: The Wall