Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
'অসুর বধ শুরু..., ধর্ষকদের এভাবেই এনকাউন্টার করা উচিত', বারুইপুর-কাণ্ডে পুলিশের পাশে কামদুনির টুম্পা-মৌসুমি

'অসুর বধ শুরু..., ধর্ষকদের এভাবেই এনকাউন্টার করা উচিত', বারুইপুর-কাণ্ডে পুলিশের পাশে কামদুনির টুম্পা-মৌসুমি

THE WALL 6 days ago

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে (baruipur case status in bengali) নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের (baruipur case status prabhas mondal) পুলিশি এনকাউন্টারে (baruipur case status encounter) মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এই পরিস্থিতিতে বর্তমান রাজ্য সরকারের পাশে দাঁড়িয়ে এনকাউন্টারের ঘটনাকে (Baruipur News) জোরালো সমর্থন জানালেন বারাসতের কামদুনি আন্দোলনের (Kamduni) অন্যতম দুই প্রধান প্রতিবাদী মুখ— টুম্পা কয়াল ও মৌসুমি কয়াল (Tumpa Koyal Mousumi Koyal)।

বিগত তৃণমূল জমানার তীব্র সমালোচনা করে তাঁদের স্পষ্ট দাবি, 'আমরা বিচার পাইনি। বাংলার সব ধর্ষকদের এভাবেই এনকাউন্টার (Baruipur Encounter) করা উচিত।'

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বারুইপুরের নৃশংস ঘটনার কিনারা করতে এবং তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ধৃত প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে গভীর রাতে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। অভিযোগ, অপরাধের পুনর্নির্মাণের (Crime Reconstruction) সময় আচমকাই পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে চম্পট দেওয়ার চেষ্টা করে প্রভাস। আত্মরক্ষার্থে ও অভিযুক্তকে রুখতে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যজুড়ে ব্যাপক হইচই শুরু হয়েছে।

এই এনকাউন্টারের ঘটনাকে স্বাগত জানিয়ে কামদুনির টুম্পা ও মৌসুমি কয়াল ফের তাঁদের দীর্ঘ বঞ্চনার ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁদের মতে, আইনি দীর্ঘসূত্রিতা ও প্রশাসনের খামতির কারণে কামদুনির ধর্ষকেরা পার পেয়ে গেলেও, বারুইপুরের ঘটনায় প্রকৃত ও তাৎক্ষনিক বিচার হয়েছে।

ধর্ষকদের কঠোরতম শাস্তির সওয়াল করে দুই প্রতিবাদী বলেন, 'কামদুনির ঘটনার পর এতদিন কেটে গেলেও আমরা সঠিক বিচার পাইনি। এই ধর্ষকদের বেঁচে থাকার কোনও অধিকার নেই। এভাবেই বাংলার প্রতিটা ধর্ষককে খতম করা উচিত, তবেই নারীদের ওপর নির্যাতন কমবে।'

২০১৩ সালে বারাসতের কামদুনিতে ২০ বছরের এক কলেজছাত্রীকে পথ আটকে অপহরণ, গণধর্ষণ ও নৃশংস খুনের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা সমাজকে। সেই সময়ে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) কামদুনিতে গিয়ে গণবিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন।

অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের সান্ত্বনা দেওয়ার বদলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিবাদী সাধারণ মানুষকে 'মাওবাদী' বলে কটাক্ষ করেছিলেন। এর পর টুম্পা ও মৌসুমিকে তৎকালীন শাসকদলের রোষানলে পড়তে হয়েছিল বারবার। ২০১৬ সালে নিম্ন আদালত ৩ জনের ফাঁসি ও ৩ জনের যাবজ্জীবনের রায় দিলেও, পরবর্তীতে কলকাতা হাইকোর্টে সেই রায় ধাক্কা খায়। উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণের অভাব এবং পুলিশের গাফিলতির অভিযোগে হাইকোর্ট ফাঁসির সাজা মুকুব করে দু'জনকে যাবজ্জীবন দেয় এবং বাকি তিনজনকে বেকসুর খালাস করে।

বিগত তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে অপরাধীদের আড়াল করার সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন মৌসুমি কয়াল। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'এই এনকাউন্টারের খবরে আজ বাংলার মেয়েরা মনে শান্তি পেয়েছে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি সেসময় কামদুনির দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোরতম শাস্তি দিতেন, তবে আজ বাংলায় নারী নির্যাতনের গ্রাফ অনেকটাই নেমে যেত। কিন্তু তৃণমূল সরকার বরাবর অপরাধীদের আড়াল করেছে। আজ প্রশাসন যে কড়া পদক্ষেপ দেখিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।'

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: The Wall