Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
অতিবৃষ্টিতে ফুঁসছে গঙ্গা-যমুনা! উত্তরাখণ্ড ও উত্তরপ্রদেশের একাধিক জেলায় জারি লাল-কমলা সতর্কতা

অতিবৃষ্টিতে ফুঁসছে গঙ্গা-যমুনা! উত্তরাখণ্ড ও উত্তরপ্রদেশের একাধিক জেলায় জারি লাল-কমলা সতর্কতা

THE WALL 1 week ago

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাহাড় থেকে সমতল - টানা মুষলধারে বৃষ্টিতে বিপর্যয় উত্তরাখণ্ড (Uttarkhand Flood) এবং উত্তরপ্রদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। অন্য দিকে, ঝাড়খণ্ডে হড়পা বানের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে ভারী বৃষ্টির কারণে দেরাদুনের ঐতিহাসিক তমসা (Tamsa) নদীর জলস্তর মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে তপকেশ্বর মহাদেব মন্দির প্রাঙ্গণ প্লাবিত হয়।

একই সময়ে পলি ও জলের তোড়ে গঙ্গা ও যমুনার জলস্তর আশঙ্কাজনক হারে বাড়ায় প্রয়াগরাজ ও বারাণসীর একাধিক নিম্নাঞ্চল জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে রাজ্য ও জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীকে।

আবহাওয়া দফতরের তরফে দেরাদুনসহ আশেপাশের জেলাগুলিতে অত্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাত, বজ্রবিদ্যুৎ এবং অতিবৃষ্টির 'কমলা সতর্কতা' (Orange Alert) জারি করা হয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে জেলা দুর্যোগ মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মঙ্গলবার দেরাদুনের প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি স্কুল এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে ছুটি ঘোষণা করে দেওয়া হয়।

ইতিমধ্যেই দুর্যোগের কারণে রাজ্যে সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। ধসের জেরে বহু রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর জানিয়েছে, বৃষ্টি এবং ধসের কারণে ১৭২টি রাস্তা বন্ধ। প্রশাসনের তরফে মাইকে ঘোষণা করে ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে।

অন্যদিকে গড়ওয়াল পাহাড়ে অবিরাম বৃষ্টির কারণে হৃষিকেশে গঙ্গার রূপ অত্যন্ত ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। ত্রিবেণী ঘাটে গঙ্গার তীব্র স্রোত দেখা গেলেও কেন্দ্রীয় জল কমিশনের (CWC) আধিকারিকরা জানিয়েছেন, জলস্তর এখনও বিপৎসীমার কিছুটা নীচে রয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হৃষীকেশ, মুনি কি রেতি এবং লক্ষ্মণ ঝুলা সংলগ্ন প্রধান ঘাটগুলিতে এসডিআরএফ (SDRF), ওয়াটার পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয়েছে। নদীর পাড়ে না যাওয়ার জন্য মাইকিং করে স্থানীয় বাসিন্দা, পুণ্যার্থী ও পর্যটকদের ক্রমাগত সতর্ক করা হচ্ছে।

উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে নদী উপচে বসতি এলাকায় জল ঢুকতে শুরু করায় ইতিমধ্যেই দুর্গতদের নিরাপদ স্থানে সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। বারাণসীর বিখ্যাত ঘাটগুলিতে জল উঠে আসায় নিত্যদিনের পুজো এবং আরতি ব্যাহত হয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলাকারী দলের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনগুলি ২৪ ঘণ্টা নদীর জলস্তরের ওপর নজর রাখছে এবং যে কোনও জরুরি পরিস্থিতির জন্য কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: The Wall