Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
বসিরহাটে স্টেশন থেকে নাবালিকাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা, অভিযুক্তকে গণধোলাই

বসিরহাটে স্টেশন থেকে নাবালিকাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা, অভিযুক্তকে গণধোলাই

THE WALL 1 week ago

প্রতীতি ঘোষ, বসিরহাট: বারুইপুর কাণ্ডে তোলপাড় গোটা রাজ্য। তারই মধ্যে বসিরহাটের ভ্যাবলা স্টেশনে এক নাবালিকাকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠল। স্থানীয় মানুষজন ছুটে এসে অভিযুক্ত যুবককে গণধোলাই দেয়। এই ঘটনায় সোমবার সন্ধ্যায় তেতে ওঠে গোটা এলাকা।

পুলিশসূত্রে জানা গেছে, আকরামিরজা নগরে বাড়ি ওই নাবালিকার।

ওই দিন সন্ধ্যায় মায়ের সাথে মামাবাড়িতে এসেছিল। বাড়ি ফেরার সময় ওই নাবালিকাকে ভ্যাবলা স্টেশনে বসিয়ে রেখে তার মা স্টেশনের বাইরে কিছু কিনতে গিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় বিশ্বনাথ ঘোষ নামে এক যুবক এসে ওই নাবালিকার পাশে বসে এবং বিভিন্ন কথা বলার পরে তাকে খাবারের লোভ দেখিয়ে সেখান থেকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

সন্দেহ হওয়ায় চিৎকার করে ওঠে ওই নাবালিকা। অভিযোগ, তখন বিশ্বনাথ জোর করে ওই নাবালিকার হাত ধরে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্টেশনে উপস্থিত যাত্রীরা ওই যুবককে তাড়া করে। খানিকটা দূরে গিয়ে তাকে ধরে ফেলে শুরু হয় মারধর। ক্ষুব্ধ জনতাদের দাবি তাঁরা সতর্ক না হলে আবার বারুইপুরের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হত।

মারধর করে বিশ্বনাথকে স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে আটকে রাখে জনতা। খবর পেয়ে বসিরহাট থানার পুলিশ এসে বিশ্বনাথকে ক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে বসিরহাট থানায় নিয়ে যায়। রাতে জিআরপি আধিকারিকরা বসিরহাট থানায় এসে অভিযুক্ত বিশ্বনাথকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাকে গ্রেফতার করে। ওই যুবকের কঠোর শাস্তি চাইছেন এলাকার মানুষ।

বন্ধুর জন্য উপহার কিনতে বেরিয়ে শনিবার সন্ধেবেলা নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল বারুইপুরের নাবালিকা। রবিবার সকালে স্থানীয় পুকুর থেকে উদ্ধার হয় তার অর্ধনগ্ন দেহ। ১১ বছরের কিশোরীর বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধারের পর রবিবার সকাল থেকেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় দক্ষিণ ২৪ পরগনার ধপধপি এলাকা। দোষীদের শাস্তির দাবিতে মৃতদেহ রাস্তায় রেখে চলে বিক্ষোভ। সন্দেহভাজন এক যুবককে পিটিয়ে মারে জনতা। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মূল অভিযুক্ত আনন্দ সর্দার গ্রেফতার হলেও ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকা।

বারুইপুরের ঘটনায় ইতিমধ্যেই ছয় সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করেছে রাজ্য পুলিশ। সোমবার মূল অভিযুক্ত আনন্দ সর্দার গ্রেফতারের পর এই মামলায় ধৃতে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন। নিহত কিশোরীর পরিবারের অভিযোগে চারজনের নাম ছিল। তদন্তকারীদের দাবি, বাকি পলাতকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছিল এমন তিন জনকেও আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কল রেকর্ড-সহ বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: The Wall