Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
বেআইনি নির্মাণে সই করে বৈধ করা হত, ভাগ বসত পুরসভার টাকায়! দেবরাজের দুর্নীতি-জাল ছড়িয়ে দক্ষিণ দমদমেও

বেআইনি নির্মাণে সই করে বৈধ করা হত, ভাগ বসত পুরসভার টাকায়! দেবরাজের দুর্নীতি-জাল ছড়িয়ে দক্ষিণ দমদমেও

THE WALL 1 week ago

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দক্ষিণ দমদম (South Dum Dum) এবং বিধাননগর পুরনিগম (Bidhannagar Municipality) এলাকায় বেআইনি নির্মাণ ও আর্থিক দুর্নীতির একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আসায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কাঠগড়ায় বিধাননগর পুরসভার ধৃত প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর দেবরাজ চক্রবর্তী (Debraj Chakraborty) এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ বৃত্ত।

অভিযোগ, পুরসভার প্রাপ্য বিপুল অংকের টাকা সরকারি তহবিলে যেত না, বরং তাতে ভাগ বসাতেন স্থানীয় কাউন্সিলররা। শুধু তাই নয়, পুরনো তারিখ ব্যবহার করে বেআইনি নির্মাণের ফাইলে সই করে সেগুলিকে রাতারাতি বৈধ করে দেওয়া হত বলেও মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে।

দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে এই দুর্নীতির একটি চাঞ্চল্যকর নজির সামনে এসেছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা শিশুদের স্কুল তৈরির উদ্দেশে পুরসভাকে একটি জমি দান করেছিলেন এবং সেখানে একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুল তৈরি করাও হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ, তৃণমূল জমানায় দেবরাজ চক্রবর্তী এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর সঞ্জয় দাস ক্ষমতার অপব্যবহার করে সেই স্কুলটি বন্ধ করে দেন। স্কুল তুলে দিয়ে সেখানে তৈরি করা হয় একটি ব্যাডমিন্টন প্রশিক্ষণকেন্দ্র। এখানেই শেষ নয়, পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ঠিক উপরে তৈরি করা হয় একটি টেনিস অ্যাকাডেমি। অভিযোগ, এই দুটি কেন্দ্র থেকেই প্রাপ্ত ভাড়ার কোনও টাকাই পুরসভার তহবিলে জমা পড়েনি, সবটাই যেত কাউন্সিলর সঞ্জয়ের পকেটে।

এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে রাজারহাট-গোপালপুরের বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি আরও অভিযোগ করেন যে, পুরসভার তৈরি করা বেশ কিছু অনুষ্ঠান বাড়ির ভাড়ার টাকাও সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে পকেটস্থ করতেন ওই কাউন্সিলর। উল্লেখ্য, রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের কিছুদিনের মধ্যেই ঘর থেকে সঞ্জয় দাসের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়, তিনি আত্মঘাতী হয়েছিলেন।

দুর্নীতির মূল অভিযোগগুলি এক নজরে:

দুর্নীতির এই জাল রাজারহাট-গোপালপুর এলাকাতেও সমানভাবে বিস্তৃত ছিল বলে দাবি করেছেন তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। এবার তাঁর নিশানায় রাজারহাট-নিউটাউনের প্রাক্তন বিধায়ক তথা রাজারহাট-গোপালপুর পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান তাপস চট্টোপাধ্যায়। পরবর্তীতে এই পুরসভাটি বিধাননগর পুরনিগমের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তরুণজ্যোতির অভিযোগ, পুরনিগমের অধীনে চলে যাওয়ার পরেও তাপস চট্টোপাধ্যায় পুরনো তারিখ ব্যবহার করে একাধিক বেআইনি নির্মাণের নকশা বা প্ল্যান পাস করিয়েছেন। নতুন সব প্ল্যানকেই এমনভাবে দেখানো হতো যেন সেগুলি পুরনো পুরসভা আমলের। যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তাপস চট্টোপাধ্যায়। তাঁর সাফ দাবি, রাজারহাট-গোপালপুর পুরসভা বিধাননগর পুরনিগমের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর থেকে কোনো ধরণের নির্মাণ বা প্ল্যান পাসের প্রক্রিয়ার সঙ্গে তাঁর দূর-দূরান্তের কোনও সম্পর্ক ছিল না। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে এই দুই পুর এলাকায় রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: The Wall