দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিধানসভার সই কাণ্ডের তদন্তে যখন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ তথা দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhisekh Banerjee) বাড়িতে গেছে সিআইডি-র আধিকারিকরা (CID), সেই সময়ে বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়িতে অভিষেক! সেই ছবি ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে।
এদিন তৃণমূল নেতার বাড়িতে পৌঁছনোর পর এক কর্মী বেরিয়ে এসে সিআইডি আধিকারিকদের জানান, অভিষেক বাড়িতে নেই।
এমনকি তাঁর স্ত্রী, সন্তানরাও নেই। কোথায় গেছেন তিনি বলতে পারবেন না। কিছুপরেই বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ দাবি করেন, তাঁর সঙ্গে রামমোহন রায় রোডের বাড়িতে রয়েছেন তিনি। বেলেঘাটায় ভোটপরবর্তী হিংসায় এক তৃণমূলকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। তাঁর পরিবারের সঙ্গেই শনিবার দেখা করতে গিয়েছিলেন অভিষেক। যদিও শান্তিনিকেতনে সিআইডি হানা প্রসঙ্গে কিছু বলেননি কুণাল ঘোষ।
সূত্রের খবর, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জমা পড়া একটি চিঠি নিয়েই তৈরি হয়েছে জটিলতা। সেই চিঠিতে থাকা কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষরের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ, কিছু স্বাক্ষর নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়াতেই গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি।
তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য, সংশ্লিষ্ট চিঠিতে থাকা স্বাক্ষরগুলি আদৌ প্রকৃত কি না, তা যাচাই করা। সেই কারণেই একাধিক তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে যান সিআইডির আধিকারিকরা। সেই তালিকায় রয়েছেন চন্দ্রনাথ সিনহা, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। একই মামলার তদন্তে শনিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গেল সিআইডি।
বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জমা পড়া একটি চিঠি নিয়েই তৈরি হয়েছে জটিলতা। সেই চিঠিতে থাকা কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষরের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ, কিছু স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, এই সংক্রান্ত প্রথম চিঠি তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বিধানসভা পাঠিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই চিঠি ফিরিয়ে দেন বিধানসভার স্পিকার। তারপর অন্য চিঠি যাওয়ার পরই সই নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।
শুধু স্বাক্ষর সংগ্রহই নয়, বেশ কিছু নথিপত্রও খতিয়ে দেখেছেন তদন্তকারীরা। কোন পরিস্থিতিতে সেই চিঠিতে স্বাক্ষর করা হয়েছিল, আদৌ স্বাক্ষরটি তাঁর নিজের কি না - সেই সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

