Tuesday, 11 Aug, 4.22 pm THE WALL

নিউজ
হেডফোন ভেবে র‍্যাট স্নেকের ল্যাজ ধরে টানাটানি করলেন জলপাইগুড়ির যুবক

    দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: রোজের মতোই সকাল সকাল কাজে বের হচ্ছিলেন জ্বালাদি পাড়ার বাসিন্দা পার্থ মল্লিক। তাড়াহুড়ো করে মোবাইল ফোনের হেডফোন নিতে গেলে হাত লেগে বিছানার পাশ দিয়ে নীচে পড়ে যায় হেডফোনটি। এরপর নিচু হয়ে খাটের নিচে হাত বাড়িয়ে হেডফোনটিকে টেনে বের করতে যান তিনি। কিন্তু স্পর্শে মালুম হয় হেডফোনটি খুব ঠান্ডা আর নড়ছে। ভালো করে তাকিয়ে ভয়ে শিউরে ওঠেন পার্থবাবু। দেখেন হেডফোন নয়, আসলে বিশাল বড় একটি সাপের ল্যাজ ধরে টানাটানি করছেন তিনি। বুঝতে পেরে ঘর থেকে ছুটে বাইরে বেরিয়ে এসে সোজা ফোন করেন পরিবেশ কর্মী বিশ্বজিত্‍ দত্ত চৌধুরীকে। সাড়া পড়ে গোটা বাড়িতে। পার্থবাবুর বাবা লক্ষ্মী মল্লিক বলেন, ''আমার ছেলে খাটের নীচ থেকে হেডফোন বের করে আনতে গিয়ে সাপের ল্যাজ ধরে টানাটানি করে। পরে সাপ বুঝতে পেরে চিত্‍কার জুড়ে দেয়। এর আগেও আমাদের ঘরে সাপ ঢুকেছে। এ দিন আবার সাপ ঢোকায় বন দফতর ও পরিবেশকর্মীদের খবর দেই আমরা।'' খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশ কর্মী বিশ্বজিত্‍ দত্ত চৌধুরী ওই বাড়িতে পৌঁছন। এরপর সাপটিকে খাটের নীচ থেকে বার করে এনে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে জঙ্গলে ছেড়ে দেন। তিনি বলেন, ''বর্ষায় জল ঢুকে এদের বাসস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে এরা লোকালয়ে চলে আসছে। সকাল থেকে এই এলাকায় গৃহস্থের বাড়িতে ঢুকে যাওয়া তিনটি সাপ ধরেছি। এটি র‍্যাট স্নেক। এই সাপ নির্বিষ। এরা মূলত ইঁদুর খেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। ফলে প্লেগজাতীয় রোগ প্রতিহত হয়।'' গত বুধবারই দুপুরবেলা জলপাইগুড়ি তিস্তাপারের বিবেকানন্দ পল্লি এলাকার বাসিন্দা বীরেশ্বর সরকার তাঁর শোবার ঘরে থাকা একটি গর্ত থেকে মুখ বের করে ফনা তুলতে দেখেন একটি গোখরো সাপকে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি খবর দেন পরিবেশকর্মী বিশ্বজিত্‍ দত্ত চৌধুরীকে। তিনি এসে প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় মেঝে খুড়ে দু'টি পৃথক গর্ত থেকে একটি গোখরো এবং একটি দাঁড়াস সাপ উদ্ধার করেন। একই সাথে দুটো সাপের মোট ৪৫ টি ডিম উদ্ধার করেন।

Dailyhunt
Disclaimer: This story is auto-aggregated by a computer program and has not been created or edited by Dailyhunt. Publisher: The Wall
Top