দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুরুটা দেখে স্কোরবোর্ড ২০০ ছোঁবে—এমনটাই মনে হচ্ছিল। কিন্তু মাঝপথে ছন্দপতন। শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভারে ১৬৫ তুলে মাঠ ছাড়ল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (IPL 2026)। টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্তে শুরুটা নিখুঁত হলেও, স্পিনে গতি হারিয়ে পুরো ম্যাচটাই খুলে দিল কলকাতা নাইট রাইডার্সের সামনে (KKR vs SRH)।
হেডের ঝোড়ো হাফসেঞ্চুরি
ইনিংসের প্রথম ছ'ওভারেই ম্যাচের টোন সেট করে দেয় হায়দরাবাদ। ৭১/১—পাওয়ারপ্লে শেষে এই স্কোর বলে দেয় দলের ব্যাটিং কতটা স্বচ্ছন্দ ছিল। ট্র্যাভিস হেড শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক (Travis Head)। মাত্র ২৮ বলে ৬১ রান। ৯টি চার, ৩টি ছয়। বোলারদের লাইন-লেংথ ভেঙে দেন একা হাতে। অভিষেক শর্মা যোগ্য সঙ্গত দিলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ঈশান কিষাণও মাঝের দিকে কিছুটা গতি ধরে রাখেন (Cricket News Bangla)। ৫০ রানের জুটি গড়ে ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন তাঁরা। ১০ ওভার শেষে স্কোর ১০৫/২। তখনও মনে হচ্ছিল, বড় স্কোর নিশ্চিত (Sunrisers Hyderabad)।
রাহানের চাল, স্পিনেই ঘুরল ম্যাচ
ঠিক এই সময়েই ম্যাচ ঘোরান কলকাতার অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে (Ajinkya Rahane)। বল তুলে দেন বরুণ চক্রবর্তীর হাতে। আসামাত্র তিনি হেডকে সাজঘরে ফেরান। এরপর ধস শুরু (Varun Chakaravarthy)। ১০৫/১ থেকে ১২২/৪—মাত্র কয়েক ওভারের ব্যবধানে মোড় পুরো ঘুরে যায়। বরুণ শেষ করেন ৪ ওভারে ৩ উইকেট নিয়ে (৪-০-৩৬-৩)। তাঁকে সঙ্গ দেন সুনীল নারিন (Sunil Narine)। দুই উইকেট তুলে নেন গুরুত্বপূর্ণ সময়, থামিয়ে দেন ইনিংসের গতি। আজ নারিনের একটি উইকেট ২০০তম আইপিএল শিকার—এই মাইলফলক ছোঁয়া প্রথম বিদেশি বোলার তিনিই (Sports News Bangla)।
১৬৫-তেই থামল ইনিংস
হেনরিখ ক্লাসেন, স্মরণ, অনিকেত—সকলেই ইনিংস টেনে নিয়ে যেতে ব্যর্থ। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়েছে। ১৫.৬ ওভারে ১৪৮/৭ (IPL Updates)। এরপর আর ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ ছিল না। শেষদিকে প্যাট কামিন্স কিছুটা চেষ্টা চালান, কিন্তু সেটাও টেকেনি (Pat Cummins)। শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভার শুরুর আগেই অন্তিম উইকেট পতন। কার্তিক ত্যাগীর বলে হর্ষল প্যাটেল সাজঘরে (Cricket Updates)। পুরো দল অল আউট ১৬৫ রানে।
রাশ এখন কলকাতার হাতে
ম্যাচের সবচেয়ে বড় দিক—একই খেলায় দুই বিপরীত ছবি। শুরুতে আক্রমণ, শেষে নিয়ন্ত্রণহীন পতন (T20 Cricket)। পাওয়ারপ্লেতে যেখান থেকে ২০০+ স্কোরের ইঙ্গিত ছিল, সেখান থেকে ১৬৫—এই পার্থক্যটাই লড়াইয়ের ভরকেন্দ্র। এখন লক্ষ্য ১৬৬। পিচ ব্যাটিং সহায়ক হলেও স্পিন সাহায্য করছে স্পষ্ট। সেই জায়গায় কলকাতার হাতেই বাড়তি সুবিধা (Kolkata Knight Riders)।

