Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
জিটিএ শিক্ষক কেলেঙ্কারি: সুপ্রিম কোর্টের মামলা থেকে সরছে রাজ্য, তদন্তে সিবিআই-কে ছাড়পত্র মুখ্যমন্ত্রীর

জিটিএ শিক্ষক কেলেঙ্কারি: সুপ্রিম কোর্টের মামলা থেকে সরছে রাজ্য, তদন্তে সিবিআই-কে ছাড়পত্র মুখ্যমন্ত্রীর

THE WALL 1 week ago

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাহাড়ের গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (GTA)-এর শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআই (CBI)-এর রাস্তার সমস্ত আইনি বাধা পুরোপুরি দূর করতে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুক্রবার নবান্নে পাহাড়ের একাধিক ইস্যু নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।

বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পূর্বতন সরকারের আমলে হওয়া এই দুর্নীতির তদন্তের স্বার্থে এবার সুপ্রিম কোর্টের আইনি লড়াই থেকে পুরোপুরি সরে দাঁড়াবে রাজ্য সরকার।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, জিটিএ-র কাজকর্ম এবং পাহাড়ের শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ভূরিভূরি অভিযোগ রয়েছে। বিগত দিনে এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিলেও, তৎকালীন তৃণমূল সরকার সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে স্থগিতাদেশ জারি করে রেখেছিল। ফলে প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের হাত-পা বাঁধা ছিল।

এই জট কাটাতে নতুন সরকারের পদক্ষেপ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'প্রায় ৪০০-রও বেশি শিক্ষককে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে নিয়োগ করা হয়েছিল। কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হলে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হয়েছিল। কিন্তু তদানীন্তন রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে এই মামলায় স্থগিতাদেশ দিয়ে রেখেছিল। আমাদের সরকার এই মামলা থেকে এখন পুরোপুরি বেরিয়ে আসবে। সেই অনুযায়ী ইতিমধ্যে আমি মুখ্যসচিবকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়ে দিয়েছি।'

সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে পাহাড়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির শিকড় খুঁজতে সিবিআই-এর সামনে আর কোনও আইনি বা প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা রইল না।

জিটিএ-র অধীনস্থ পাহাড়ে শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে এই দুর্নীতির জাল বহু দূর বিস্তৃত বলে অভিযোগ। মামলাকারীদের দাবি, সম্পূর্ণ নিয়ম-কানুনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে, যোগ্যতার কোনও রকম যাচাই না করেই চারশোরও বেশি শূন্যপদে প্রার্থীদের অবৈধভাবে চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল।

দীর্ঘদিন ধরে চলা এই আইনি লড়াইয়ে ইতিপূর্বেই রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম জড়িয়েছে। শুধু পার্থই নন, পাহাড়ের প্রভাবশালী নেতা বিনয় তামাং এবং তৃণমূল যুব নেতা তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধেও এই নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: The Wall