Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠে বন্ধ গর্ভগৃহে প্রবেশ! মন্ত্রী থেকে আমলা, সবার জন্যই কড়া নিয়ম মন্দির কমিটির

কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠে বন্ধ গর্ভগৃহে প্রবেশ! মন্ত্রী থেকে আমলা, সবার জন্যই কড়া নিয়ম মন্দির কমিটির

THE WALL 1 month ago

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠের (Tarapith News) মারাত্মক ভিড় ও শৃঙ্খলা রক্ষা করতে এ বার নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল মন্দির কর্তৃপক্ষ। এ বছর পুণ্য তিথিতে গর্ভগৃহে প্রবেশ করে বিগ্রহ দর্শন বা স্পর্শের সুযোগ আর থাকছে না কারও জন্যই। সাধারণ পুণ্যার্থী তো বটেই— মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদ কিংবা উচ্চপদস্থ আমলাদের মতো ভিআইপি (VIP) বা ভিভিআইপিদের (VVIP) ক্ষেত্রেও এই বিধিনিষেধ সমভাবে প্রযোজ্য হবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে তারাপীঠ মন্দির কমিটি।

​পঞ্জিকা অনুযায়ী, এ বছর ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ১১ মিনিটে কৌশিকী অমাবস্যা (Koushiki Amabasya) তিথি শুরু হচ্ছে এবং পরদিন অর্থাৎ ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে তিথি সমাপ্ত হবে। ভিআইপি সংস্কৃতির প্রভাব কাটিয়ে মন্দির কমিটির এই কড়া পদক্ষেপে এ বছর ভক্তেরা কতটা সুশৃঙ্খল ভাবে পুজো দিতে পারেন, এখন সে দিকেই নজর সবার।

​প্রতি বছর কৌশিকী অমাবস্যায় গর্ভগৃহে প্রবেশের সময়ে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, বিশেষ ভিআইপি লাইনের চাপ সামলাতে গিয়ে সাধারণ পুণ্যার্থীদের দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। তা ছাড়া, দ্রুত বিগ্রহ দর্শনের প্রলোভন দেখিয়ে ভক্তদের থেকে মোটা টাকা হাতিয়ে নেওয়ার যে চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে, তা রুখতেই এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি।

মন্দির কমিটির সভাপতি নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, অমাবস্যার দিনে দর্শনার্থীদের জন্য দু'টি পৃথক লাইন থাকবে— একটি সাধারণ এবং অন্যটি ভিআইপি। তবে ভিআইপি লাইনে দাঁড়ালেও গর্ভগৃহে ঢোকার ছাড়পত্র মিলবে না; গর্ভগৃহের বাইরে থাকা বারান্দা থেকেই মা তারার মূর্তি দর্শন করতে হবে।

​সাধারণ লাইন: সম্পূর্ণ নিখরচায় দর্শন করা যাবে।

​ভিআইপি লাইন: মাথাপিছু টিকিট মূল্য ধার্য করা হয়েছে ৫০০ টাকা।

​নিরাপত্তা ব্যবস্থা: মন্দির চত্বরে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

​প্রশাসনের কাছে মন্দির কমিটির তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভিআইপিদের বিশেষ সুযোগ দেওয়ার জন্য যেন কোনও সুপারিশ না পাঠানো হয়। সভাপতি নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, ''আমরা প্রশাসনকে অনুরোধ জানিয়েছি ভিআইপিদের জন্য সুপারিশ না করতে। এর পরেও যদি অতিরিক্ত চাপ আসে, তবে তা সামলানোর চেষ্টা করব, না পারলে পুরোটাই মা তারার ওপরে ছেড়ে দেব।''

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: The Wall