Sunday, 05 Jul, 4.28 pm THE WALL

দেশ
পাবজির নেশায় ১৬ লাখ টাকা খরচ, শিক্ষা দিতে ছেলেকে স্কুটার সারাইয়ে দোকানে কাজে পাঠালেন বাবা

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাবজি খেলার নেশায় বাবার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ১৬ লাখ টাকা খরচ করেছিল ছেলে। উচিত শিক্ষা দিতে তাই ছেলেকে স্কুটার সারানোর দোকানে কাজ করতে পাঠিয়ে দিয়েছেন বাবা। এই ঘটনার পঞ্জাবের খারার জেলার। অনলাইন ক্লাস করার ছুতোয় বাবার ফোন নিয়েছিল ১৭ বছরের ওই ছেলে। তারপর কোনও ভাবে জেনে ফেলেছিল বাবার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ডিটেলস। তারপরেই শুরু হয় তরুণের কেরামতি। পাবজির নেশায় বাবার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ১৬ লাখ টাকা ধসিয়ে অনলাইনে গেমিংয়ের জন্য কিছু কিনেছিল ওই তরুণ। ভেবেছিল ধরা পড়বে না সে। তবে ব্যাঙ্কের মেসেজ পেতেই সজাগ হয়ে যায় তার বাবা। ওই ব্যক্তি বুঝতে পারেন এই কীর্তি তাঁর ছেলেরই। নিজের চিকিত্‍সার জন্য ওই টাকা জমিয়েছিলেন পঞ্জাবের ব্যক্তি। সেই টাকা ছেলে এ ভাবে উড়িয়ে দেওয়ায় স্বভাবতই ক্ষুব্ধ হন তিনি। ঠিক করেন ছেলেকে উচিত শিক্ষা দিতেই হবে।

    - মুক্তচিন্তার জায়গাটা আরও সংগঠিত ও শক্তিশালী করে তোলার সম্ভাবনা রাখে 'সুখপাঠ': অনির্বাণ

    এই বাজারে উপার্জন করা কতটা কষ্টকর এবং টাকার আসল মূল্য যে কী সেটাই ছেলে বোঝাতে চেয়েছেন এই বাবা। আর তাই একটা স্কুটার সারানোর দোকানে ছেলেকে কর্মচারী হিসেবে যুক্ত করেছেন ওই ব্যক্তি। তাঁর কথায়, 'আমার ছেলে অনলাইন গেম খেলতে গিয়ে নিজের এবং বন্ধুদের জন্য এত টাকা খরচ করেছে। এদিকে কোনও হেলদোল নেই। আমি কিছুতেই এটা মানতে পারব না যে ও এমন একটা কাণ্ড ঘটিয়ে বাড়িতে অলস বসে থাকবে। ওকে এখন ওর পড়াশোনার জন্যও ফোন দিতে চাই না। তাই ওকে স্কুটার সারানোর দোকানে কাজ করতে পাঠিয়েছি। এ বার ও বুঝুক উপার্জন করা কতটা পরিশ্রমের এবং টাকার মূল্য কী।' পঞ্জাবের ওই ব্যক্তি জানিয়েছেন, ছেলের এমন কাণ্ডের জন্য অনেক সমস্যায় পড়েছে তাঁর পরিবার। সুধু নিজের চিকিত্‍সা ছেলের ভবিষ্যত্‍ এবং পড়াশোনার জন্যও ওই টাকা জমিয়েছিলেন তিনি। তবে এখন আর সেই টাকা ফিরে পাওয়ার কোনও উপায় নেই। যেহেতু ব্যক্তির ছেলেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে তাই হাত তুলে নিয়েছে পুলিশও। ওই ব্যক্তি জানিয়েছেন, তাঁর পিএফ অ্যাকাউন্টের ২ লাখ টাকাও ছিল ওই ১৬ লক্ষ টাকার মধ্যে। নিজের বাবা-মাকেও এখন টাকা পাঠাতে পারছেন না ওই ব্যক্তি।

Dailyhunt
Disclaimer: This story is auto-aggregated by a computer program and has not been created or edited by Dailyhunt. Publisher: The Wall
Top