Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
প্রভাসের ময়নাতদন্তের জন্য ৩ সদস্যের বোর্ড, পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি হবে, করা হয়েছে ডিজিটাল এক্সরে

প্রভাসের ময়নাতদন্তের জন্য ৩ সদস্যের বোর্ড, পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি হবে, করা হয়েছে ডিজিটাল এক্সরে

THE WALL 1 week ago

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বারুইপুরে ধর্ষণ-খুনের মামলায় (Baruipur Rape Murder Case) পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের (Prabhas Mondal Rape Murder Case) মৃত্যুর ময়নাতদন্তের জন্য বোর্ড গঠন করল স্বাস্থ্য দফতর (Health Department)। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের (NHRC) নিয়ম মেনে তিন সদস্যের বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ড (Medical Board For Encounter Autopsy) গঠন করা হয়েছে।

ময়নাতদন্তের আগে দেহের ডিজিটাল এক্স-রে করা হয়েছে, যাতে গুলির অবস্থান স্পষ্টভাবে জানা যায়। পুরো প্রক্রিয়াই নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ভিডিওগ্রাফি করা হবে।

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এনএইচআরসি-র নির্দেশিকা অনুসারে প্রভাস মণ্ডলের ময়নাতদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি বিশেষ বোর্ড তৈরি করা হয়েছে। এই বোর্ডে রয়েছেন তিনটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক মেডিসিন বিভাগের অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা। তাঁদের উপস্থিতিতেই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ময়নাতদন্ত করা হবে।

প্রথমে প্রভাসের দেহ কাঁটাপুকুর মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে সেটি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়। রাত প্রায় ৮টা পর্যন্ত তাঁর দেহ হাসপাতালের ইডেন বিল্ডিংয়ের সামনে শববাহী গাড়িতেই রাখা ছিল। ময়নাতদন্ত শুরুর আগে গুলির সঠিক অবস্থান নির্ণয়ের জন্য দেহের ডিজিটাল এক্স-রে করা হয়। তদন্তে যাতে কোনও তথ্য বাদ না যায়, সেই কারণেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ডে রয়েছেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর শাশ্বত বিশ্বাস, এনআরএস মেডিক্যাল কলেজের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর সায়ক শোভন দত্ত এবং ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের প্রফেসর অলোক মজুমদার। নিয়ম অনুযায়ী পুরো ময়নাতদন্তের ভিডিওগ্রাফি করা হবে। পাশাপাশি অন্তত ২৫টি স্টিল ছবি তোলাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে তদন্তের প্রয়োজনে সমস্ত তথ্য সংরক্ষিত থাকে।

প্রসঙ্গত, গত রবিবার বারুইপুরের একটি পুকুর থেকে ১১ বছরের নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। ধর্ষণ ও খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের। ঘটনার তদন্তে প্রভাস মণ্ডলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মঙ্গলবার সারাদিন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপর গভীর রাতে সিটে তদন্তকারীরা তাঁকে নিয়ে যায় বারুইপুরের সেই ঘটনাস্থলে, সেখানেই পুনর্নির্মাণের কাজ চলছিল।

পুলিশ সূত্রের খবর, বারুইপুর কাণ্ডে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল বা 'সিট'-এর অন্যতম এক সদস্যের সার্ভিস রিভলবারটি আচমকাই কেড়ে নেয় প্রভাস। অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পুলিশের ঘেরাটোপ থেকে অন্ধকারের সুযোগে পালানোর চেষ্টা করে সে, এমনকি পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিও চালায়। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে আত্মরক্ষার্থে গুলি চালান বারুইপুর থানার আর এক অফিসার। পুলিশের নিখুঁত নিশানায় গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন প্রভাস (baruipur case status encounter)। তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এই ঘটনার পর থেকেই এনকাউন্টার ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠেছে। সেই কারণেই জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নিয়ম মেনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বোর্ড গঠন করে ময়নাতদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার আশা, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং ডিজিটাল এক্স-রের তথ্য প্রভাসের মৃত্যুর কারণ ও ঘটনার পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: The Wall