Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
শনিবার জরায়ু ক্যানসারের ফ্রি টিকা চালু বাংলায়, হাসপাতালগুলির জন্য কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

শনিবার জরায়ু ক্যানসারের ফ্রি টিকা চালু বাংলায়, হাসপাতালগুলির জন্য কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

THE WALL 1 week ago

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মারণ ব্যাধি রুখতে এবার কোমর বেঁধে নামল প্রশাসন। মহিলাদের জরায়ু মুখের ক্যানসার বা সারভাইকাল ক্যানসার প্রতিরোধে রাজ্যজুড়ে বিনামূল্যে টিকাকরণ কর্মসূচির সূচনা করা হল। শনিবার সকালেই বিধাননগর হাসপাতালে পৌঁছে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

সঙ্গে হাজির ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ সহায়তায় আজ থেকেই বাংলার জেলায় জেলায় শুরু হয়ে গেল এই টিকাকরণ।

এদিনের অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের মোট ২৩৫টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে একযোগে এই কর্মসূচির চাকা ঘুরল। মূলত ১৪ থেকে ১৫ বছর বয়সি কিশোরীরা এই বিনামূল্যে প্রতিষেধকের সুবিধা পাবেন। গোটা রাজ্যে এই টিকাকরণ যজ্ঞ চালাতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ইতিমধ্যেই ৭ লক্ষ ৭২ হাজার ৬৫০ ডোজ প্রতিষেধক পাঠিয়েছেন। ধাপে ধাপে মোট ৮৮০টি কেন্দ্রে এই কর্মসূচি চালানো হবে বলে নবান্ন সূত্রে খবর।

'রেফার রোগ' রুখতে কড়া দাওয়াই, ১৫% বেড আমজনতার জন্য ফিক্সড!

ক্ষমতায় আসার পর স্বাস্থ্য পরিষেবার ভোলবদল করতে যে সরকার মরিয়া, তা এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার খামতি নিয়ে বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, মাত্র তিন সপ্তাহে অনেক কাজ এগিয়েছে। এসএসকেএম হাসপাতালে ১০০টি অতিরিক্ত বেডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাসপাতালগুলির 'রেফার রোগ' রুখতে তৈরি হয়েছে কড়া সমন্বয় সূত্র।

বেসরকারি হাসপাতালগুলির একাংশকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'রাজ্য সরকারের থেকে যারা মাত্র ১ টাকায় জমি নিয়েছেন, তাঁদের হাসপাতালের ১৫ শতাংশ বেড সাধারণ মানুষের জন্য তুলে রাখতে হবে। সরকারি হাসপাতালে অতিরিক্ত চাপ হলে, সেখান থেকে রেফার করা রোগীদের ওই বেডগুলিতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা দিতে হবে।' তিনি আরও জানান, হাসপাতালে দালাল চক্র রুখতে এবং রেফারের কোনও অভিযোগ থাকলে সরাসরি ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুমে লাইভ মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বাংলায় ঢুকছে ২১০০ কোটি, এবার 'আয়ুষ্মান মন্দির'

এদিন মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন যে, দিল্লির সঙ্গে সংঘাতের রাস্তা এড়িয়ে কেন্দ্রের প্রকল্প বাংলায় পুরোপুরি রূপায়িত হতে চলেছে। কেন্দ্রের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের নির্যাস টেনে তিনি বলেন, 'ন্যাশনাল হেলথ মিশন (NHM) পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর হবে। এই খাতের জন্য ২১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে, যার মধ্যে ৫২৭ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই রাজ্য পেয়ে গিয়েছে। এছাড়া আয়ুষ্মান ভারতের জন্য এসেছে ৯৭৬ কোটি টাকা।'

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, রাজ্যের ১ কোটি ৩৬ লক্ষ পরিবারের প্রায় ৬ কোটিরও বেশি মানুষকে এই চিকিৎসার আওতায় আনা হচ্ছে। শুধু বাংলা নয়, এ রাজ্যের যারা বাইরে কাজ করতে যান, তাঁরাও দেশের যে কোনও প্রান্তে এই সুবিধা পাবেন। রাজ্যজুড়ে ৪৬৭টি জনৌষধি কেন্দ্র চালানো হবে এবং 'অমৃত প্রকল্প'-এর মাধ্যমে দুরারোগ্য ব্যাধির ওষুধ মিলবে ভর্তুকি মূল্যে। স্বাস্থ্য পরিকাঠামো বাড়াতে উত্তরবঙ্গে 'এইমস' (AIIMS) গড়ার জন্য জমি খোঁজা শুরু হয়েছে এবং বাকি ৪টি জেলাতেও খুব দ্রুত মেডিকেল কলেজ তৈরি হবে বলে জানান তিনি।

বুধবারে অন্নপূর্ণার টাকা, ঘরে ঘরে যাবে টিম

স্বাস্থ্য বিপ্লবের পাশাপাশি এদিন রাজ্যের মা-বোনেদের জন্য সামাজিক সুরক্ষার বার্তাও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ঘোষণা করেন, 'অন্নপূর্ণা যোজনা'-র টাকা উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনওরকম দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সরকার চায় প্রকৃত প্রাপকের হাতেই যেন এই টাকা পৌঁছায়। ফর্ম ফিলাপ নিয়ে যাদের সমস্যা হচ্ছে, তাঁদের ঘরে ঘরে গিয়ে সরকারি প্রতিনিধিরা ফর্ম পূরণে সাহায্য করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: The Wall