Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
শৌচাগার উধাও, গজিয়ে উঠল বেআইনি ক্যান্টিন! বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজে ২৮ লক্ষ টাকার 'দুর্নীতি'র অভিযোগ ঘিরে তোলপাড়

শৌচাগার উধাও, গজিয়ে উঠল বেআইনি ক্যান্টিন! বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজে ২৮ লক্ষ টাকার 'দুর্নীতি'র অভিযোগ ঘিরে তোলপাড়

THE WALL 1 week ago

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছিল শৌচাগার, হয়ে গেল বেআইনি ক্যান্টিন! বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (Bankura Sammilani Madical College) চত্বরে জবরদখল সরতেই কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরিয়ে পড়ল। হাসপাতালের জমিতে যে পাবলিক টয়লেট তৈরি হওয়ার কথা ছিল, তা কার্যত গায়েব। আর সেই নির্ধারিত জায়গাতেই গজিয়ে উঠেছিল এক বিশাল বেআইনি খাবারের দোকান।

ক্যান্টিন ভাঙতেই প্রশাসনের চোখ চড়কগাছ। দেখা গেল, দোকানের পিছনেই লুকিয়ে রাখা ছিল সরকারি প্রকল্পের কাজের শিলান্যাসের ফলক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে 'মিশন নির্মল বাংলা' প্রকল্পে মোটা টাকা দুর্নীতির অভিযোগে তোলপাড় শুরু হয়েছে জেলা রাজনীতিতে।

ক্যান্টিন সরতেই পর্দাফাঁস, কোথায় গেল লাখ লাখ টাকা?

হাসপাতাল সূত্রের খবর, রোগীদের পরিজনদের সুবিধার্থে বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ চত্বরে 'মিশন নির্মল বাংলা' প্রকল্পের অধীনে একটি শৌচাগার তৈরির পরিকল্পনা করা হয়। এর জন্য বরাদ্দ করা হয় প্রায় ২৮ লক্ষ টাকা। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে কাজ শুরু হয়ে তিন মাসের মধ্যে তা শেষ হওয়ারও কথা ছিল। সেই মতো বাঁকুড়া পুরসভার তরফে নির্দিষ্ট জায়গায় হোর্ডিংও ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। অভিযোগ, শৌচাগার না বানিয়ে সেই জায়গা জবরদখল করে গড়ে তোলা হয়েছিল একটি বিশাল ক্যান্টিন। ফলে সরকারি বোর্ডের পাশাপাশি চাপা পড়ে যায় গোটা প্রকল্পটাই। সম্প্রতি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে চত্বর সাফাইয়ের জন্য সেই বেআইনি দোকানটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। আর তাতেই ঢাকা পড়ে থাকা সেই সরকারি বোর্ড সবার সামনে চলে আসে। প্রশ্ন উঠছে, শৌচাগার না বানিয়ে বরাদ্দ হওয়া ২৮ লক্ষ টাকা কি তবে পুরোটাই তছরুপ করা হয়েছে?

ক্ষোভ উগরে দিলেন স্থানীয়রা

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, শুধু এই একটিই নয়, হাসপাতাল চত্বরে আরও তিনটি শৌচাগার তৈরি করার কথা ছিল। কিন্তু সেগুলিরও কোনও অস্তিত্ব নেই, শুধু ফাঁকা বোর্ড পড়ে রয়েছে। পুরসভার একাংশ ও এক শ্রেণীর রাজনৈতিক নেতার পকেটে টাকা ঢোকাতেই এই জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো মাঝপথে স্রেফ হাওয়া হয়ে গিয়েছে।

কী সাফাই পুরসভার?

ঘটনার খবর পেয়েই তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে আসেন হাসপাতালের অধ্যক্ষ পঞ্চানন কুণ্ডু এবং স্থানীয় বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানা। কড়া সুরে অধ্যক্ষ জানান, "হাসপাতালের এক ইঞ্চি জায়গাও জবরদখল করে রাখা যাবে না। যাঁরা এমন বেআইনি কাজ করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ করা হবে।" দুর্নীতি প্রসঙ্গে তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় বিধায়কও। অন্যদিকে, বাঁকুড়া পুরসভার চেয়ারপার্সন অলকা সেন মজুমদার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে। তাঁর দাবি, ওই শৌচাগার নির্মাণের কাজ স্থগিত রাখা হয়। সব রকম তদন্তে সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: The Wall