এই মর্মে বিধাননগর উত্তর থানায় সমুদ্রর নামে অভিযোগও দায়ের করেছেন উদয়ন। এ নিয়ে সুজিত বা তাঁর পুত্র কিছু না বললেও মন্ত্রী ঘনিষ্ঠরা বলছেন, এর পিছনে সব্যসাচী দত্তর কলকাঠি রয়েছে। তিনিই এটা করিয়েছেন। যদিও এ ব্যাপারে সব্যসাচী স্পষ্টই বলেন, 'উনি একজন ব্লকের পুজো উদ্যোক্তা। কে কার বিরুদ্ধে অভিযোগ করবে তা আমি করাতে যাবে কেন!' সংবাদমাধ্যমকে উদয়নবাবু বলেন, 'সমুদ্র ও তাঁর বন্ধুরা এসে মণ্ডপের বাইরে বসেছিলেন। তারপর হঠাত্ই একটি ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে দেন। তিনি কেন এই কাজ করলেন বুঝতে পারলাম না। জানি না, মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বাবার পুজোয় লোক ঢোকা বন্ধ কপরে দেওয়ায় ব্যানারের উপর এই আক্রোশ কি না!' তিনি এও বলেন, 'আমি বিশ্বাস করি না, ছেলে এই কাজ করছেন আর তাঁর বাবা জানেন না!' সল্টলেকের রাজনীতিতে সুজিত-সব্যসাচী কোন্দল সর্বজনবিদিত। আগে যখন দু'জনেই তৃণমূলে ছিলেন তখন রোজ দুই গোষ্ঠীর বিবাদ লেগে থাকত। মহিষবাথান থেকে দত্তাবাদ পর্যন্ত ব্যপ্তি ছিল সেই কোন্দলের। তারপর সব্যসাচী বিজেপিতে চলে যান। বিধানসভা ভোটে সল্টলেকের মাঠে ডার্বিও হয় সুজিত-সব্যসাচীর। কিন্তু সুজিত বিপুল ভোটে জেতেন। যদিও পুজোর আগেই তৃণমূলে ফিরেছেন সব্যসাচী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধায়ক পদে শপথের দিনেই বিধানসভায় জোড়াফুলের পতাকা হাতে নিয়েছিলেন বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র। এও জানা গিয়েছিল, সব্যসাচীকে দলে নেওয়ার আগে মমতা সুজিতকে ফোন করে বলেছিলেন, তোর কোনও আপত্তি নেই তো? কিন্তু ঘরে ফেরা মাত্রই ফের সেই কোন্দলের ভ্রূকুটি লবনহ্রদের তৃণমূলে। পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা ' সুখপাঠ '