Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
তৃণমূলের ৪৪০ কোটি টাকা ফ্রিজ করল ইডি! চপার-বিমান কাণ্ডে তোলপাড়ের মাঝে ফুঁসে উঠল জোড়াফুল শিবির

তৃণমূলের ৪৪০ কোটি টাকা ফ্রিজ করল ইডি! চপার-বিমান কাণ্ডে তোলপাড়ের মাঝে ফুঁসে উঠল জোড়াফুল শিবির

THE WALL 5 days ago

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলায় ক্ষমতা হারানোর পর এবার বড় আর্থিক ধাক্কার মুখে পড়ল ঘাসফুল শিবির (TMC)। তৃণমূল কংগ্রেসের তিনটি প্রধান ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে এক ধাক্কায় মোট ৪৪০.৪২ কোটি টাকা ফ্রিজ করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার এই নজিরবিহীন পদক্ষেপের পরই তোলপাড় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

তবে বসে নেই জোড়াফুল শিবিরও। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজের খবর আসতেই পাল্টা রণংদেহী মেজাজে সমাজমাধ্যমে দীর্ঘ পোস্ট করে একে বিজেপির 'রাজনৈতিক প্রতিহিংসা' বলে তীব্র ধিক্কার জানিয়েছে তৃণমূল।

সমাজমাধ্যমে কী বলল তৃণমূল?

ইডির এই অল-আউট অ্যাকশনের বিরুদ্ধে নিজেদের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে চরম ক্ষোভ উগরে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, "দলের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে থাকা প্রতিটি টাকার হিসাব সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং তা প্রকাশ করা হয়েছে। ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) এবং আয়কর দফতরকে সমস্ত অনুদানের তথ্য নিয়ম মেনে প্রতি বছর জানানো হয়েছে, যা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে জনসাধারণের দেখার জন্য দেওয়াও রয়েছে। এমনকি ইলেক্টোরাল বন্ডের সমস্ত তথ্যও ভারত সরকারের কাছে রয়েছে, কারণ এই বন্ড স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (SBI) ইস্যু করেছিল এবং পরবর্তীতে তা সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া হয়।"

ইডির এই পদক্ষেপকে সম্পূর্ণ অবৈধ ও একতরফা দাবি করে তৃণমূল আরও লিখেছে, "তৃণমূলের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনে এভাবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে অপব্যবহার করা বিজেপির মজ্জাগত। এটি আমাদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও সুস্থ রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার (Level Playing Field) ওপর এক মারাত্মক আঘাত।"

কী অভিযোগ ইডির? কেন এই অ্যাকশন?

ইডির কলকাতা জোনাল অফিসের পক্ষ থেকে এক প্রেস রিলিজে জানানো হয়েছে, বিমান পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত একটি বেসরকারি সংস্থার একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালানোর পরেই তৃণমূলের তিনটি অ্যাকাউন্টে এই বিপুল পরিমাণ টাকা লেনদেনের ওপর নিষেধাজ্ঞা (Debit Freeze) জারি করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের দাবি, এপ্রিল ২০২৩ থেকে জুন ২০২৬ সালের মধ্যে তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ১৬০ কোটি টাকা পাঠানো হয়েছিল 'মেসার্স কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশন ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড' নামক একটি সংস্থায়। পরবর্তীতে সেই টাকা অন্য একটি সহযোগী সংস্থায় ঘুরিয়ে একটি বিলাসবহুল 'এমব্রায়ের লেগাসি ৬০০' বিমান এবং একটি নতুন 'অগুস্টা ১০৯ গ্র্যান্ড' হেলিকপ্টার কেনা হয়। এই চপার কেনার জন্য আবার কেম্যান আইল্যান্ডসের একটি ভুয়ো সংস্থা থেকে ১.৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের অসুরক্ষিত ঋণও নেওয়া হয়েছিল।

ইডির সবচেয়ে বড় অভিযোগ হল, তৃণমূলের তহবিল থেকে টাকা দিয়ে এই বিমান ও চপার কেনা হয়েছিল। কিন্তু কেনার পর, সেগুলিকেই আবার ঘুরিয়ে তৃণমূলকে চড়া ভাড়ায় ব্যবহারের জন্য দেওয়া হত। বিমান ও চপার কাণ্ডের সূত্র ধরে এক লপ্তে ৪৪০ কোটি টাকা ফ্রিজ হওয়ার পর বাংলার রাজনৈতিক পারদ যে কয়েক গুণ চড়ে গেল, তা বলাই বাহুল্য।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: The Wall