Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
World Cup 2026: গোল করেননি, তবু ধ্রুপদী ট্যাকলে অমরত্ব পেতে পারেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস!

World Cup 2026: গোল করেননি, তবু ধ্রুপদী ট্যাকলে অমরত্ব পেতে পারেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস!

THE WALL 1 week ago

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৩-২ ব্যবধানে আর্জেন্তিনার দুরন্ত জয়। বিশ্বকাপের ইতিহাসে ধ্রুপদী লড়াই। স্মরণীয় কামব্যাক। জিকোর বাতিল গোল। ভিএআর বিতর্ক। মেসির সমতা-ফেরানো শট ও স্বস্তির কান্না।

সব মিলিয়ে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে। রুদ্ধশ্বাস এই প্রত্যাবর্তন। যার নকশা ছাড়াতে বসে একটা ট্যাকলের কথা হয়তো অনেকেই ভুলে যাবেন।

ইনজুরি টাইমের ১০ সেকেন্ড। ফলাফল তখনও ২-২। ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর হেড ও মেসির অনবদ্য হাফ-ভলিতে খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে আর্জেন্তিনা। জয়ের জন্য মরিয়া নীল-সাদা জার্সিধারীরা তখন রক্ষণ প্রায় ফাঁকা রেখে পুরোদস্তুর আক্রমণে।

ঠিক সেই সুযোগটাই কাজে লাগায় মিশর। প্রতি-আক্রমণে বিপক্ষকে শেষ করে দেওয়ার মোক্ষম মুহূর্ত! মেসির একটি পাস আটকান মোহনদ লাশিন। আলগা বল ধরে দ্রুত মাঝমাঠের দিকে বাড়ান ত্রেজেগুয়ে। বল পেয়েই বিদ্যুৎবেগে আর্জেন্তিনার অর্ধে ঢুকে পড়েন চার মিশরীয় ফরোয়ার্ড। বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বক্সে তখন মাত্র দু'জন পাহারাদার। ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে কার্যত দর্শক বানিয়ে মহম্মদ সালাহর সঙ্গে 'ওয়ান-টু' খেলেন ওমর মারমুশ। সালাহর পেছন দিয়ে ঘুরে ফের বল পেয়ে যান তিনি। রোমেরো ততক্ষণে ফরোয়ার্ড লাইনে। ফলে হোল্ডিং মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসই তখন রক্ষণের শেষ ভরসা। লিসান্দ্রো পরাস্ত হওয়ার পর তিনজন প্রবল গতিসম্পন্ন ফরোয়ার্ডের সামনে একা পারেদেস। কার্যত অসহায়!

আর ঠিক তখনই ঝলসে ওঠে বিশ্বকাপের ইতিহাসের অন্যতম সেরা রক্ষণাত্মক ট্যাকল! মারমুশের দিকে বল যেতেই বিপদের আঁচ পান পারেদেস। শুরু হয় পিছন দিকে দৌড়। নিজের গোলের দিকে মুখ। একবার বাঁ-কাঁধের ওপর দিয়ে ত্রেজেগুয়ের অবস্থান দেখে নেন বোকা জুনিয়র্সের এই তারকা। তারপর ফের নজর মারমুশের দিকে।

পারেদেস জানতেন, পাস যাবে ত্রেজেগুয়ের পায়ে। চোখের পলকে ঘুরে দাঁড়ান। সজোরে ব্রেক কষেন। তারপর ডান পা বাড়িয়ে দেন শূন্যে। বল এসে লাগে তাঁর পায়ে। সামান্য বাতাসে ভেসে ফের মাটিতে। নিমেষে বলের নিয়ন্ত্রণ ছিনিয়ে নেন পারেদেস। পাস বাড়ান সতীর্থকে। এতেই বিপন্মুক্ত দল। এক লহমায় হাঁফ ছেড়ে বাঁচে নীল-সাদা গ্যালারি!

ওই দুরন্ত ট্যাকলের ঠিক এক মিনিট ৩৪ সেকেন্ড পরের ঘটনা। আর্জেন্তিনা ফের আক্রমণে। আবার মিশরের পালটা হানা। সালাহকে বক্সে ফেলে দেন হুলিয়ান আলভারেজ। পেনাল্টির জোরালো আবেদন। নাকোচ করেন রেফারি। টুর্নামেন্টের অন্যতম বিতর্কিত সিদ্ধান্ত। এরপরই বল পৌঁছয় ডান প্রান্তে থাকা লাউতারো মার্তিনেসের কাছে। সম্প্রচারকারী চ্যানেলে ভাসল আর্জেন্তিনীয় ধারাভাষ্যকার মারিয়ানো ক্লোসের বিখ্যাত উক্তি, 'ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ, বাতাসে গোলের গন্ধ!' কথা শেষ হতে না হতেই লাউতারোর মাপা ক্রস। বক্সে অরক্ষিত এনজো ফার্নান্দেজের দুরন্ত হেড। বল জালে। ৩-২। মাঠে ছড়িয়ে পড়ে বন্য উল্লাস।

কিন্তু একটু খুঁটিয়ে খেলা দেখে যারা, প্রশ্ন তুলবে: পারেদেসের সেই অবিশ্বাস্য ট্যাকল না থাকলে, ম্যাচের ফল কি বিলকুল অন্য রকম হত না?

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: The Wall