Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
World Cup 2026: ট্রাম্প-তোষণে ফিফার নিয়মভঙ্গ! অলিম্পিক কমিটির কড়া তদন্তের মুখে ইনফান্তিনো

World Cup 2026: ট্রাম্প-তোষণে ফিফার নিয়মভঙ্গ! অলিম্পিক কমিটির কড়া তদন্তের মুখে ইনফান্তিনো

THE WALL 3 months ago

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রকাশ্যে সমর্থন করে এবার চরম বিপাকে জিয়ানি ইনফান্তিনো (Gianni Infantino)। 'রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা'র নিয়ম ভাঙার অভিযোগে ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে পারে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি বা আইওসি।

ঘটনার সূত্রপাত বিশ্বকাপের রাউন্ড অফ ৩২-এর একটি ম্যাচ ঘিরে।

বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিরুদ্ধে লাল কার্ড দেখেন মার্কিন স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগুন। তাঁকে এক ম্যাচের জন্য নির্বাসিত করে ফিফা। তখনই আসরে নামেন খোদ ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সকার কর্তাদের আইনি দল ও প্রেসিডেন্টের জোরালো হস্তক্ষেপে লাল কার্ড অদ্ভুতভাবে প্রত্যাহার করা হয় (Donald Trump FIFA Controversy)। ফিফার শৃঙ্খলারক্ষা বিধির ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদের দোহাই দিয়ে বালোগুনের বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে শেষ ষোলোর ম্যাচে খেলার ছাড়পত্র জোটে।

আর এই ঘটনার পরেই কড়া পদক্ষেপ করেছে মানবাধিকার সংগঠন 'ফেয়ারস্কোয়্যার'। ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে আইওসি-র কাছে সরকারিভাবে অভিযোগ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

পিস প্রাইজ ও এথিক্স কমিটির দ্বারস্থ সংগঠন

২০২০ সাল থেকে আইওসি-র সদস্য পদে রয়েছেন ইনফান্তিনো। ফেয়ারস্কোয়্যার অবশ্য গত বছর ডিসেম্বর মাসেই ফিফার নিজস্ব এথিক্স কমিটিতে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। সংবাদসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংগঠনের অভিযোগ ছিল, ইনফান্তিনো প্রকাশ্যে ট্রাম্পের বিভিন্ন পদক্ষেপ ও নীতিকে সমর্থন করেছেন (IOC Investigation)।

ফেয়ারস্কোয়্যারের দেওয়া বিবৃতিমতে, 'আমরা এথিক্স কমিটিকে অনুরোধ করেছি, ফিফা পিস প্রাইজ চালুর সিদ্ধান্ত এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সেই পুরস্কার দেওয়ার পেছনে মিস্টার ইনফান্তিনোর ভূমিকা ঠিক কী ছিল, তা যেন খতিয়ে দেখা হয়।' ফিফার পদ্ধতিগত নিয়মাবলির সঙ্গে এই প্রক্রিয়াগুলো আদৌ সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, সেটাও তদন্তের আওতাভুক্ত করার দাবি তুলেছে এই মানবাধিকার সংগঠন। যদিও রয়টার্স ফিফার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলেও বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা এখনও নিশ্চুপ (FIFA Peace Prize)।

১৫ নম্বর অনুচ্ছেদ ও ক্ষমতার চরম অপব্যবহার

ফেয়ারস্কোয়্যারের অভিযোগের মূল ভিত্তি হল ফিফার 'কোড অফ এথিক্স'-এর ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদ। যেখানে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখার বিষয়টিতে জোর দেওয়া হয়েছে। ফিফার নিয়মাবলির অধীনে থাকা যে কোনও ব্যক্তিকে তাঁর দপ্তুরের কাজকর্মে সম্পূর্ণ রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থাকতে হয়। নিয়ম ভাঙলে অন্তত ১০ হাজার সুইস ফ্রাঁ জরিমানা। সেই সঙ্গে সমস্ত ফুটবল-সম্পর্কিত কার্যকলাপ থেকে দু'বছরের নির্বাসন (World Cup Football News)।

সংগঠনের বক্তব্য, টুর্নামেন্টের ড্র হওয়ার আগে বার্ষিক পিস প্রাইজ চালু করা এবং ট্রাম্পের হাতে তা তুলে দেওয়ার ঘোষণা ফিফা কাউন্সিলের, নাকি ইনফান্তিনো একাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তা তদন্ত করে দেখা হোক। তাদের স্পষ্ট দাবি, 'মিস্টার ইনফান্তিনো যদি একতরফাভাবে এবং কোনও আইনি কর্তৃত্ব ছাড়াই এই কাজ করে থাকেন, তবে একে ক্ষমতার চরম অপব্যবহার হিসেবে গণ্য করা উচিত।'

আইওসি-র অবস্থান ও ফিফার নিষ্ক্রিয়তা

গোটা বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সভাপতি কার্স্টি কভেন্ট্রির প্রতিক্রিয়া মিলেছে। মঙ্গলবার তিনি জানান, তাঁদের এথিক্স কমিশনের বিবেচনার জন্য এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি অভিযোগ জমা পড়েনি। তবে অভিযোগ পেলে যে তাঁরা কড়া পদক্ষেপ করবেন, এমন ইঙ্গিত দিয়ে কভেন্ট্রির বক্তব্য, 'অবশ্যই, যদি তারা অভিযোগ দায়ের করে, তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে (Football News Bengali)।'

এদিকে, গত ডিসেম্বরে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অভিযোগের প্রাপ্তি স্বীকার করেছিল ফিফার ইনভেস্টিগেটরি চেম্বারের সচিবালয়। কিন্তু তারপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে আদৌ কোনও তদন্ত শুরু হয়েছে কি না, তার বিন্দুমাত্র ইঙ্গিত মেলেনি। মানবাধিকার সংগঠনটির দাবি, ফিফার এই নীরবতা গোটা প্রক্রিয়াটির স্বচ্ছতা নিয়েই বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: The Wall