Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
Suvendu Adhikari: মমতা সরকারকে নিশানা করে নবান্নে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর, ১ আগস্ট থেকে রাজ্যে শুরু ডিজিটাল জনগণনা

Suvendu Adhikari: মমতা সরকারকে নিশানা করে নবান্নে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর, ১ আগস্ট থেকে রাজ্যে শুরু ডিজিটাল জনগণনা

রাজ্যে প্রশাসনিক দায়িত্ব নেওয়ার পর এবার বড়সড় পদক্ষেপ করতে চলেছে বর্তমান সরকার। নবান্নে জনগণনা সংক্রান্ত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ঘোষণা করলেন, আগামী ১ আগস্ট থেকে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হচ্ছে নতুন জনগণনা বা সেন্সাস (Census)। এই প্রক্রিয়া চলবে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত।

তবে এর মধ্যে ১ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সাধারণ নাগরিকদের জন্য থাকবে 'সেলফ এনুমারেশন' বা স্ব-নথিবদ্ধকরণের বিশেষ ব্যবস্থা।

এদিনের সাংবাদিক বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, এবারের জনগণনায় আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। ভারতের ইতিহাসে এই প্রথমবার সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন সরকারি কর্মচারীরা এবং সংগৃহীত তথ্য সরাসরি কেন্দ্রীয় সার্ভারে আপলোড করা হবে। কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, এই বিশেষ অ্যাপটি তৈরির কাজ প্রায় শেষের মুখে। সাধারণ মানুষের সহায়তার জন্য শুক্রবার নবান্ন থেকে দুটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বরও প্রকাশ করা হয়েছে। গোটা প্রক্রিয়ার তদারকির দায়িত্বে থাকবেন 'সেন্সাস ডিরেক্টর' রশ্মি কোমল।

তৃণমূল সরকারকে দোষারোপ

জনগণনা নিয়ে পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি অভিযোগ করেন, গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই দিল্লি থেকে জনগণনা চালুর চিঠি এলেও তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার রাজনৈতিক কারণে কোনও পদক্ষেপ করেনি, এমনকি চিঠির জবাবটুকুও দেয়নি। এই ভূমিকাকে 'দুর্ভাগ্যজনক' আখ্যা দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "আগের সরকারের গোয়ার্তুমি এবং রাজনৈতিক ঐকমত্যের অজুহাতে ফাইল আটকে রাখার ফলে অন্য রাজ্যগুলির তুলনায় পশ্চিমবঙ্গ অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পরেই গত ১১ মে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই এই কাজ দ্রুত শুরু করার সিদ্ধান্ত নিই।"

অনুপ্রবেশ এবং জনবিন্যাসের পরিবর্তন নিয়ে কড়া বার্তা

এদিনের বৈঠকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এবং অনুপ্রবেশের প্রসঙ্গটি তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, "পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় ৬০০ কিলোমিটার সীমান্তে কোনও কাঁটাতারের বেড়া নেই। পূর্বতন সরকার বিএসএফ-কে সীমান্ত চৌকি বা বেড়া দেওয়ার জমি না দেওয়ায় অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। আর এই লাগামহীন অনুপ্রবেশের ফলেই সীমান্ত লাগোয়া এলাকাগুলিতে জনবিন্যাসের চরিত্র পুরোপুরি বদলে গিয়েছে।" তিনি আরও যোগ করেন, "আপনারা টিভিতেই দেখতে পাচ্ছেন, জনগণনার ভয়ে বহু বাংলাদেশি এখন পালাচ্ছে। এই মুহূর্তে যাঁরা হোল্ডিং সেন্টারে রয়েছেন, তাঁদের কেউ বৈধ নথি দেখাতে পারবেন না।"

'রাজনীতি বা জাতপাতের সম্পর্ক নেই, এটি সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা'

অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিলেও, রাজ্যের বৈধ নাগরিকদের আশ্বস্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি বার্তা দেন, এই জনগণনা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "মনে রাখবেন, এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে রাজনীতি বা জাতপাতের কোনও সম্পর্ক নেই। এটি একটি সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা।" উৎসব ও জাতীয় আবেগের আবহে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সেলফ এনুমারেশনের সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি রাজ্যের সর্বস্তরের মানুষের কাছে এই জাতীয় প্রক্রিয়াটি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার জন্য পূর্ণ সহযোগিতা চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

Read more news like this on bengali.timesnownews.com

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Times Now khabar